|
কুড়িগ্রামের বানিজ্য মেলায় আসা মডেল শিল্পীর সম্ভ্রম হানির চেষ্টা আলোচোনা তুমুলে
আহম্মেদুল কবির, কুড়িগ্রাম
|
![]() কুড়িগ্রামের বানিজ্য মেলায় আসা মডেল শিল্পীর সম্ভ্রম হানির চেষ্টা আলোচোনা তুমুলে ঘটনাটি ঘটেছে গতকাল ১৮ জুলাই শনিবার সকাল ৬ টার দিকে। জানা যায়, ওই মডেল শিল্পী গভীর রাত পর্যন্ত মেলায় নাচ-গানের বিনোদন শেষে ওই যুবদল নেতার বাড়িতে বিশ্রামের জন্য অবস্থান করেন। এসময় ওই যুবদল নেতা মডেল শিল্পীকে কুপ্রস্তাবসহ অশোভন আচরণ এবং সম্ভ্রমহানির করে। এক পর্যায়ে সম্ভ্রম বাঁচাতে মডেল শিল্পী দৌঁড়ে মেলা প্রাঙ্গনের কাছে গিয়ে ৯৯৯ ফোন দেন। ফোন পাওয়ার পর সদর থানার একটি মোবাইল টিম ওই মডেল শিল্পীকে উদ্ধার করে এবং অভিযুক্ত যুবদল নেতাকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। দিনভর নানান নাটকীয়তার পর যুবদলের ওই নেতাকে ১০ ঘন্টা পর বিকাল ৫টায় জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ছেড়ে দেয় পুলিশ। পুলিশ জানায়, ভিকটিম ও তার পরিবারের লোকজন লিখিত কোন অভিযোগ দায়ের করতে রাজি না হওয়ায় অভিযুক্তকে ছেড়ে দেয়া হয়। সূত্র জানায়, স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাদের চাপে ভিকটিম ও ভিকটিমের পরিবারের লোকজন অভিযোগ দায়ের করতে পারেনি। পরে সন্ধ্যার দিকে মিঠাপুকুর থেকে আসা ওই মডেল শিল্পীর পিতা তার কন্যাকে থানা থেকে নিয়ে দ্রুত কুড়িগ্রাম ত্যাগ করেন। এ ব্যাপারে কুড়িগ্রাম জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক নাদিম আহমেদকে একাধিকবার ফোন দিলেও রিসিভ করেননি। কুড়িগ্রাম বানিজ্য মেলার প্রিন্স ইভেন্ট ম্যানেজমেন্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক "মো. আঙুর জানান, "মেলায় সার্কাস এবং যাদু ইভেন্টে কোন শিল্পী আসে আর কোন শিল্পী যায়-এটা আমি জানি না। জানার কথাও না। তাছাড়া বিষয়টি মেলার ভিতরের নয়, বাইরের ঘটনা।" এ বিষয়ে কথা কুড়িগ্রাম সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. কামাল হোসেন বলেন, "ওই তরুনী নিরাপত্তার জন্য বিশেষ সেবা ৯৯৯ ফোন দিয়ে সে বিপদাপন্ন পরিস্থিতিতে আছে জানালে, সদর থানার একটি চৌকস মোবাইল টিম পাঠিয়ে মেয়েটিকে উদ্ধার করি। তার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে শুধুমাত্র জিজ্ঞাসাবাদের জন্য অভিযুক্ত যুবদল নেতাকে থানায় নিয়ে আসা হয়। দিন শেষে মেয়ের পরিবারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোন অভিযোগ না পাওয়ায় বিকাল ৫টার দিকে অভিযুক্তকে ছেড়ে দেই এবং ভিকটিমকে তার পিতার নিকট হস্তান্তর করি। লিখিত অভিযোগ না পেলে আমাদের কাউকে আটক রাখার এখতিয়ার নেই বলে জানান তিনি।" |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
