|
১০ম সাউথ এশিয়ান কারাতে চ্যাম্পিয়নশিপ ২০২৬
ক্যাডেট কুমিতে ৫৭ কেজি স্বর্ণপদক বিজয়ী ঈসা আহমেদ
মোঃ মনসুর আলী শিকদার, নরসিংদী
|
![]() ক্যাডেট কুমিতে ৫৭ কেজি স্বর্ণপদক বিজয়ী ঈসা আহমেদ এই চ্যাম্পিয়নশিপের সবচেয়ে আবেগঘন ও গর্বের বিষয় ছিল—একই আন্তর্জাতিক আসরে বাবা ও ছেলে দুজনই বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। একদিকে ছেলে ঈসা আহমেদ খেলোয়াড় হিসেবে দেশের জন্য লড়েছেন, অন্যদিকে বাবা রুপু আহমেদ, এশিয়ান কারাতে ফেডারেশন (AKF) লাইসেন্সপ্রাপ্ত কোচ হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয় দলের কোচের দায়িত্ব পালন করেছেন। একই মঞ্চে একজন ছিলেন প্রতিযোগিতার ম্যাটে, আর অন্যজন কোচ বক্সে—দুজনের লক্ষ্যই ছিল এক, বাংলাদেশের লাল-সবুজ পতাকাকে বিজয়ের শিখরে পৌঁছে দেওয়া। এমন দৃশ্য সত্যিই বিরল এবং গর্বের। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা জনাব আমিনুল ইসলাম, যিনি বাংলাদেশের সাবেক জাতীয় ফুটবলার। রুপু আহমেদ বলেন ,আজ আমার জীবনের সবচেয়ে আনন্দময় ও আবেগঘন দিনগুলোর একটি। একজন জাতীয় দলের কোচ হিসেবে দেশের জন্য দায়িত্ব পালন করার সৌভাগ্য হয়েছে, আর একজন বাবা হিসেবে আমার সন্তানের গলায় বাংলাদেশের স্বর্ণপদক দেখতে পেরেছি। এই অনুভূতি ভাষায় প্রকাশ করা সম্ভব নয়। মহান আল্লাহর কাছে অশেষ শুকরিয়া আদায় করছি। আমি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাই বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি)-এর সকল কোচ, শিক্ষক ও কর্মকর্তার প্রতি। পাশাপাশি বাংলাদেশ কারাতে ফেডারেশনের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, সকল কোচ, জাজ, রেফারি, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের প্রতিও আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাই। তাঁদের দিকনির্দেশনা, আন্তরিকতা, নিরলস পরিশ্রম এবং সহযোগিতা ছাড়া এই অর্জন সম্ভব হতো না। রুপু আহমেদ আর ও বলেন দেশবাসীর কাছে আমার বিনীত অনুরোধ—আপনারা ঈসার জন্য দোয়া করবেন, যেন সে ভবিষ্যতেও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের লাল-সবুজ পতাকাকে আরও বহুবার বিজয়ের গৌরবে উড়িয়ে দেশের জন্য আরও স্বর্ণপদক অর্জন করতে পারে, ইনশাআল্লাহ।" |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
