|
কীভাবে মঙ্গলযান-সম্পর্কিত একটি শাড়ি আমেরিকার একটি প্রধান জাদুঘরের গর্ব হয়ে উঠল?
নতুন সময় ডেস্ক
|
![]() কীভাবে মঙ্গলযান-সম্পর্কিত একটি শাড়ি আমেরিকার একটি প্রধান জাদুঘরের গর্ব হয়ে উঠল? কেন এই শাড়িটি মিউজিয়ামে স্থান পেল? ২০১৪ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর ভারতের মঙ্গলযান সফলভাবে মঙ্গলের কক্ষপথে প্রবেশ করে। সেই সময়ে ভারতের ইসরো এর নিয়ন্ত্রণ কক্ষে ঐতিহ্যবাহী ভারতীয় শাড়ি পরিহিত নারী বিজ্ঞানীদের উদযাপনের একটি ছবি বিশ্বজুড়ে আলোড়ন তৈরি করে। এটি আন্তর্জাতিক মহলে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ক্ষেত্রে পুরুষতান্ত্রিক আধিপত্যের ধারণাকে ভেঙে দেয়। স্মিথসোনিয়ান মিউজিয়ামের মহাকাশ ইতিহাস বিভাগের কিউরেটর ম্যাট শিন্ডেল জানান, এই রকেট উইমেন-দের অনুপ্রেরণামূলক গল্প বিশ্বের দরবারে তুলে ধরতেই তিনি ২০২০ সালে নন্দিনী হরিনাথের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। ভারতের মঙ্গল অভিযানের স্মারক হিসেবে অবশেষে এই শাড়িটিকেই বেছে নেওয়া হয়। "এটি আমাদের আন্তঃগ্রহ বিজ্ঞান সংগ্রহের জন্য ভারত থেকে সংগৃহীত প্রথম কোনো সামগ্রী। একই সঙ্গে এটি আমাদের সংগ্রহশালায় স্থান পাওয়া প্রথম শাড়ি।'' — ম্যাট শিন্ডেল, কিউরেটর, স্মিথসোনিয়ান মিউজিয়াম যেখানে প্রদর্শিত হচ্ছে শাড়িটি মিউজিয়ামের ফিউচারস ইন স্পেস গ্যালারিতে শাড়িটি প্রদর্শন করা হচ্ছে। মজার ব্যাপার হলো, এটি সাজিয়ে রাখার জন্য মিউজিয়ামের বস্ত্র বিশেষজ্ঞ বেথ নাইটকে ইউটিউবে ভিডিও দেখে শাড়ি পরানো শিখতে হয়েছিল। গ্যালারিতে শাড়িটি রাখা হয়েছে ১৯৮৩ সালে মহাকাশে যাওয়া প্রথম মার্কিন নারী স্যালি রাইডের পরিহিত বিখ্যাত নীল টি-শার্টটির পাশে। এছাড়া অ্যাপোলো ১৩ অভিযানের সময় নাসার ফ্লাইট কন্ট্রোল প্রধান জিন ক্রাঞ্জের পরার জ্যাকেটের মতোই এটিকে একটি ঐতিহাসিক পোশাক হিসেবে মর্যাদা দেওয়া হয়েছে।
|
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
