|
কুড়িগ্রামে নিখোঁজ শিশু রাইশা মনির মরদেহ ৪৪ ঘণ্টা পর ব্রহ্মপুত্র নদ থেকে উদ্ধার
আহম্মেদুল কবির, কুড়িগ্রাম
|
![]() কুড়িগ্রামে নিখোঁজ শিশু রাইশা মনির মরদেহ ৪৪ ঘণ্টা পর ব্রহ্মপুত্র নদ থেকে উদ্ধার আজ মঙ্গলবার ৯ই জুন দুপুর ১২টার সময়, উপজেলার রাণীগঞ্জ ইউনিয়নের কাঁচকোল কেডিওয়ারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে ব্রহ্মপুত্র নদের তীর থেকে স্থানীয়রা তার মরদেহ দেখতে পেয়ে উদ্ধার করেছেন বলে জানা যায়। নিহত রাইশা মনি কাঁচকোল দক্ষিণ খামার গ্রামের রাশেদুল ইসলামের মেয়ে এবং কাঁচকোল বাজার নবীজান নুরানী ও হাফিজিয়া মাদ্রাসার ২য় শ্রেণির ছাত্রী। স্থানীয়রা জানান, গত রোববার বিকেল ৫টার দিকে ৪জন সমবয়সী শিশুর সঙ্গে ব্রহ্মপুত্র নদে গোসল করতে যায় রাইশা মনি। গোসলের এক পর্যায়ে নদীর কিনারা থেকে কিছুটা দূরে চলে গেলে স্রোতের টানে পানির নিচে তলিয়ে যায় রাইশামনি। বিষয়টি দেখতে পেয়ে তার সঙ্গে থাকা শিশুরা তাকে উদ্ধারের জন্য চিৎকার করে। চিৎকার শুনে স্থানীয় কয়েকজন নদীতে নেমে অনেক খোঁজা-খুঁজি করলেও রাইশামনিকে আর খুঁজে পাওয়া যায়নি। খবর পেয়ে “চিলমারী ফায়ার সার্ভিসের” টিম আসে এবং রংপুর বিভাগের ডুবুরি দল এসে অভিযান শুরু করে, দীর্ঘ সময় নদীতে অনুসন্ধান চালানো পরে মরদেহ না পেয়ে তারা ফিরে যান। অবশেষে নিখোঁজের প্রায় ৪৪ঘণ্টা পর আজ মঙ্গলবার ৯ই জুন দুপুর ১২টার দিকে “কেডিওয়ারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের” সামনে ব্রহ্মপুত্র নদের তীরে মরদেহ ভাসতে দেখেন স্থানীয়রা। পরে কাছে গিয়ে রাইশা মনির মরদেহ শনাক্ত করা হয়। খবর পেয়ে স্বজনরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করেন তারা। রাইশার মরদেহ উদ্ধারের খবরে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্বজনদের আহাজারিতে পরিবেশ ভারী হয়ে উঠেছে। স্থানীয় বাসিন্দারা ব্রহ্মপুত্র নদের ঝুঁকিপূর্ণ ঘাট গুলোতে শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। ঐ এলাকার স্থানীয় ইউপি সদস্য রফিকুল ইসলাম উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, নিখোঁজ হওয়ার পর থেকে স্থানীয়রা ফায়ার সার্ভিস ও ডুবুরি দলের সঙ্গে উদ্ধার কাজে সহযোগিতা করেছেন। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
