|
বন্ধ করে দেওয়া হলো ককরোচ জনতা পার্টির ওয়েবসাইট, তীব্র নিন্দা প্রতিষ্ঠাতার
নতুন সময় ডেস্ক
|
![]() বন্ধ করে দেওয়া হলো ককরোচ জনতা পার্টির ওয়েবসাইট, তীব্র নিন্দা প্রতিষ্ঠাতার এর আগে একাধিক সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দেওয়া হয় দলটির। অনলাইন আন্দোলনের বিরুদ্ধে এমন দমন অভিযানের তীব্র সমালোচনা করেন তিনি। হিন্দুস্তান টাইমেসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, আইনজীবীদের সিনিয়র মর্যাদা প্রদান সংক্রান্ত একটি আদালত শুনানির সময় ভারতের প্রধান বিচারপতি (সিজেআই) সূর্যকান্তের করা মন্তব্য নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হয়। এর জেরে গত সপ্তাহে সিজেপি প্ল্যাটফর্মটি সামনে আসে। মন্তব্যে বিচারপতি তরুণদের তেলাপোকা এবং পরজীবী বলে উল্লেখ করেন। পরে সিজেআই বলেন, তাঁর মন্তব্য বিকৃতভাবে উদ্ধৃত করা হয়েছে। ভুয়া ও জাল ডিগ্রি নিয়ে আইন পেশায় প্রবেশকারীদের লক্ষ্য করে এই মন্তব্য করেছিলেন তিনি। পরে বিচারপতির মন্তব্যটি অনলাইন ব্যঙ্গাত্মক প্রচারণা হিসেবে শুরু হয়। পরবর্তীতে সেটি তরুণদের মধ্যে ডিজিটাল ভিন্নমত ও ক্রমবর্ধমান হতাশার এক বৃহত্তর আলোচনায় পরিণত হয়। মিম ও রাজনৈতিক ভাষ্যের মাধ্যমে প্ল্যাটফর্মটি বেকারত্ব, পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস এবং শিক্ষার মতো গুরুতপূর্ণ বিষয়গুলো তুলে ধরেছে। এদিকে দীপকে বলেন, আন্দোলনটির বিরুদ্ধে সর্বশেষ পদক্ষেপের অংশ হিসেবে দলটির প্রতীকী ওয়েবসাইট বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। তিনি আরো দাবি করেন, তার ব্যক্তিগত ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট এবং দলের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট উভয়ই হ্যাক করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠাতা জানিয়েছেন, ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ১০ লাখ ককরোচ সদস্য হিসেবে নাম লিখিয়েছে। অন্যদিকে শিক্ষা ব্যবস্থার কথিত ব্যর্থতা, বিশেষ করে নিট ইউজি ২০২৬-এর প্রশ্নপত্র ফাঁস বিতর্কের কারণে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে একটি আবেদনে ৬ লাখ ককরোচ স্বাক্ষর করেছে। বন্ধ হওয়ার আগে মাত্র কয়েকদিনে দলটির ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট প্রায় ২০ মিলিয়ন ফলোয়ার ছাড়িয়ে যায়, যা ভারতের ক্ষমতাসীন দল বিজেপির ইনস্টাগ্রাম ফলোয়ার সংখ্যার দ্বিগুণেরও বেশি ছিল। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
