|
আরও ৪ শিশুকে বলাৎকারের অভিযোগ মাদরাসার শিক্ষার্থী শিহাবের বিরুদ্ধে
নতুন সময় প্রতিবেদক
|
![]() আরও ৪ শিশুকে বলাৎকারের অভিযোগ মাদরাসার শিক্ষার্থী শিহাবের বিরুদ্ধে বৃহস্পতিবার (২১ মে) ঢাকা মহানগর পুলিশের মতিঝিল বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) হারুন অর রশিদ এতথ্য নিশ্চিত করেন। পুলিশ জানায়, গত ১৯ মে রাতে রামপুরা থানার বনশ্রী সি-ব্লকে অবস্থিত আলোকিত কুরআন ইন্টারন্যাশনাল হিফজ মাদরাসায় মো. আব্দুল্লাহ (১০) নামে এক শিক্ষার্থীর গলায় গামছা পেঁচানো ঝুলন্ত লাশের খবর পেয়ে রামপুরা থানার একটি দল ঘটনাস্থলে যায়। পরে লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়। সুরতহাল প্রস্তুতের সময় শিশুটির পায়ুপথে অস্বাভাবিক যৌনাচারের আলামত দেখতে পান তদন্ত কর্মকর্তারা। এ ঘটনায় ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে মাদরাসা কর্তৃপক্ষ জানায়, মো. শিহাব হোসেনের বিরুদ্ধে আরও চার শিক্ষার্থীর সঙ্গে অস্বাভাবিক যৌনাচারে লিপ্ত হওয়ার অভিযোগ রয়েছে। এর মধ্যে পরে আব্দুল্লাহর মা মোছা. টুকু আরা খাতুন রামপুরা থানায় এসে শিহাব হোসেন ও অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। মামলার এজাহারে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ (সংশোধনী/২০০৩) এর ৯(১) ধারা এবং পেনাল কোডের ৩০৬ ধারায় অভিযোগ আনা হয়। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, আব্দুল্লাহ আত্মহত্যার আগেই শিহাব হোসেন মাদরাসা ত্যাগ করে গ্রামের বাড়িতে চলে যান। পরে রামপুরা থানার একটি আভিযানিক দল পাবনা জেলার বেড়া থানার খাকছাড়া গ্রামে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে। ডিসি আরও বলেন, পাবনা থেকে গ্রেপ্তার হওয়া শিহাব ওই মাদরাসারই শিক্ষার্থী। ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুটি মামলা দায়ের করা হয়েছে-একটি মাদরাসা কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এবং অন্যটি শিশু আব্দুল্লাহর পরিবারের পক্ষ থেকে। তার বিরুদ্ধে একাধিক বলাৎকারের অভিযোগ রয়েছে। একটি মামলায় আব্দুল্লাহকে বলাৎকার ও আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগ আনা হয়েছে। অপর মামলাটি দায়ের করা হয়েছে মাদরাসার আরও কয়েকজন শিক্ষার্থীকে বলাৎকারের অভিযোগে। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
