ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
সোমবার ১১ মে ২০২৬ ২৮ বৈশাখ ১৪৩৩
অফিসে প্রেম ও বিয়ে নিয়ে সমীক্ষায় চমকপ্রদ তথ্য
নতুন সময় ডেস্ক
প্রকাশ: Monday, 11 May, 2026, 10:17 AM

অফিসে প্রেম ও বিয়ে নিয়ে সমীক্ষায় চমকপ্রদ তথ্য

অফিসে প্রেম ও বিয়ে নিয়ে সমীক্ষায় চমকপ্রদ তথ্য

বর্তমান কর্মব্যস্ত জীবনে অফিস শুধু কাজের জায়গা নয়, অনেকের জন্য সম্পর্ক গড়ে ওঠারও অন্যতম ক্ষেত্র হয়ে উঠেছে। সাম্প্রতিক এক সমীক্ষায় উঠে এসেছে, কর্মক্ষেত্রে সহকর্মীর সঙ্গে প্রেমে জড়ানোর প্রবণতা বাড়ছে এবং এসব সম্পর্কের বড় একটি অংশ শেষ পর্যন্ত বিয়েতে গড়াচ্ছে।

‘ওয়ার্কপ্লেস রোমান্স স্ট্যাটিস্টিকস’ শীর্ষক এক প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ৬০ শতাংশের বেশি কর্মী জীবনের কোনো না কোনো সময়ে সহকর্মীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়েছেন। এর মধ্যে প্রায় ৪৩ শতাংশ সম্পর্ক দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্কে রূপ নেয় কিংবা বিয়েতে পরিণত হয়।

সমীক্ষায় অংশ নেওয়া ৬৫ শতাংশ কর্মী মনে করেন, দীর্ঘ সময় একসঙ্গে কাজ করার ফলে সহকর্মীদের মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়া ও স্বাচ্ছন্দ্য তৈরি হয়, যা সম্পর্কের ভিত্তি গড়ে তোলে। এছাড়া ৬১ শতাংশের মতে, ব্যস্ত জীবনে অফিসের বাইরে নতুন মানুষের সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগ কম থাকায় কর্মক্ষেত্রেই সম্পর্ক তৈরি হচ্ছে বেশি।

তবে এই সম্পর্ক সবসময় ইতিবাচক ফল বয়ে আনে না। সমীক্ষায় প্রায় ৪০ শতাংশ অংশগ্রহণকারী স্বীকার করেছেন, অফিসে সহকর্মীর সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে তারা পূর্বের সঙ্গীর সঙ্গে প্রতারণা করেছেন। একই সঙ্গে ৫৪ শতাংশ জানিয়েছেন, কর্মক্ষেত্রের প্রেম তাদের ব্যক্তিগত ও পেশাগত জীবনের ভারসাম্যে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।

এছাড়া অফিস রোমান্সের কারণে নানা ধরনের সমস্যার কথাও উঠে এসেছে প্রতিবেদনে। ৫৭ শতাংশ কর্মী বলেছেন, সম্পর্কের কারণে তাদের কাজের পারফরম্যান্সে প্রভাব পড়েছে। প্রায় অর্ধেক কর্মী সহকর্মীদের গসিপ বা আলোচনা-সমালোচনার শিকার হয়েছেন। আর ৩৩ শতাংশ ক্ষেত্রে সহকর্মীদের মধ্যে ঈর্ষা বা জেলাসির বিষয়টিও সামনে এসেছে।

মজার তথ্য হলো, অফিসের সম্পর্ক ভেঙে গেলে কর্মক্ষেত্রে অস্বস্তিকর পরিস্থিতি এড়াতে প্রায় ৩০ শতাংশ যুগল আগেভাগেই ‘ব্রেক-আপ প্ল্যান’ তৈরি করে রাখেন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, অফিসে প্রেম পুরোপুরি বন্ধ করা সম্ভব নয়। তবে সুস্থ কর্মপরিবেশ বজায় রাখতে প্রতিষ্ঠানগুলোকে স্পষ্ট ‘রিলেশনশিপ পলিসি’ প্রণয়ন করতে হবে। কারণ অনেক কর্মী তাদের সম্পর্কের বিষয়টি মানবসম্পদ বিভাগকে (এইচআর) জানান না, যা পরবর্তীতে পক্ষপাতিত্ব বা বিশেষ সুবিধা দেওয়ার অভিযোগের জন্ম দিতে পারে।



পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status