|
রাজস্থলীতে জ্বালানি তেল যেন সোনার হরিণ, তীব্র তেল সংকটে চালকরা
নতুন সময় প্রতিনিধি
|
![]() রাজস্থলীতে জ্বালানি তেল যেন সোনার হরিণ, তীব্র তেল সংকটে চালকরা রাঙ্গামাটি জেলার রাজস্থলীতে বর্তমানে জ্বালানি তেলের তীব্র সংকটে ভুগছে, যা স্থানীয় জনজীবন, পরিবহন ব্যবস্থা এবং ব্যবসা-বাণিজ্যে গুরুতর প্রভাব ফেলছে। হঠাৎ করে সরবরাহ কমে যাওয়ায় অকটেন ডিজেলের দোকানে দীর্ঘ লাইন,পরিবহন খাতে স্থবিরতা এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বৃদ্ধির মতো পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। অপর দিকে রাজস্থলী উপজেলায় কোনো ফিলিং স্টেশন নেই। যার ফলে খুচরা বিক্রেতারাও পড়েছেন তেলের সংকটে। সরবরাহ বন্ধ থাকায় এ উপজেলাতেও দেখা দিয়েছে জ্বালানি তেলের সংকট। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত কয়েকদিন ধরে জ্বালানি তেলের সরবরাহ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। ফলে মোটরসাইকেল,সিএনজি চালিত অটোরিক্সা,ট্রাক ও বাস চালকরা চরম বিপাকে পড়েছেন। পাশ্ববর্তী উপজেলা রাঙ্গুনিয়ার চন্দ্রঘোনা ও কাপ্তাই নতুন বাজারের পেট্রেোল পাম্পে তেল না থাকায় গ্রাহকদের খালি হাতে ফিরে যেতে হচ্ছে। আবার কোথাও কোথাও সীমিত পরিমাণে তেল দেওয়া হচ্ছে, যা চাহিদার তুলনায় অপ্রতুল। তবে গত কয়েকদিন যাবত বিভিন্ন সময় ধরে রাজস্থলী উপজেলায়,মেসাস খান এন্ট্রারপ্রাইজ,বাঙ্গালহালিয়া বাজারের আয়শা ওয়েল সাপ্লাই,মেসার্স তালুকদার এন্টারপ্রাইজ,অজয় ষ্টোর,রানা পেট্রোলিয়ামসহ বাঙ্গালহালিয়া বাজারে অনেক দোকানে অকটেন,ডিজেল,পেট্রোল দিতে দেখা গিয়াছে। কিন্তু পরিমাণ মতো তেল না পেয়ে-ভোগান্তিতে পড়েছেন অনেক দিনমজুর গাড়ি চালক ও কৃষক।এই সংকটের ফলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে পরিবহন খাত ও কৃষকগন। ডিজেল না থাকায় ফারুয়া, বিলাইছড়ি, কাপ্তাই, রাঙ্গামাটিতে যাবার উদ্যেশে যানবাহন চলাচল কমে গেছে, যার প্রভাব পড়েছে পণ্য সরবরাহে। বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন,পরিবহন ব্যয় বাড়লে পণ্যের দামও বাড়বে, যার চাপ শেষ পর্যন্ত ভোক্তাদের ওপরই পড়বে। বাঙ্গালহালিয়া বাজারের আয়শা ওয়েল সাপ্লাই এর মালিক পুলক চৌধুরী জানান,রাঙ্গামাটি জেলার রাজস্থলীতে প্রচুর পরিমাণ অকটেন ও ডিজেল ছিল। কিন্তু ঈদের পর বান্দরবানে প্রচুর পর্যটক যাওয়ার সময় তাদের গাড়িতে তেল দেওয়ার কারণে কিছুটা অকটেন ও ডিজেলের সংকট দেখা দিয়েছে, যার প্রভাব পড়ছে স্থানীয়দের ওপর।এ ভাবে চলতে থাকলে অদুর ভবিষৎ রাজস্থলীতে প্রভাব পড়বে ব্যবসা ও যানবাহন চলাচলে। তারপরও আমি চেষ্টা করতেছি ডিপু থেকে তেল এনে যতটুকু সম্ভব গ্রাহকদের সেবা দিতে। ১১-১২ কিলোমিটার থেকে তেল নিতে আসা এক মোটরসাইকেল চালক জানান,অনেকক্ষণ রোদে লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে আমি এক লিটার তেল পেয়েছি। তাতেও আমি সন্তুষ্ট -অনেক ধন্যবাদ জানাই যারা এত কষ্ট করে তেল এনে আমাদেরকে দুঃসময়ে সেবা দিচ্ছেন। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
