ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
শুক্রবার ২৪ এপ্রিল ২০২৬ ১১ বৈশাখ ১৪৩৩
সাতলা খেয়াঘাটে বালুচর জেগে ট্রলার পারাপারে ভোগান্তি, নদী খননসহ টেকসই সমাধানের দাবি
আলতাফ হোসেন অনিক
প্রকাশ: Thursday, 18 December, 2025, 5:29 PM

সাতলা খেয়াঘাটে বালুচর জেগে ট্রলার পারাপারে ভোগান্তি, নদী খননসহ টেকসই সমাধানের দাবি

সাতলা খেয়াঘাটে বালুচর জেগে ট্রলার পারাপারে ভোগান্তি, নদী খননসহ টেকসই সমাধানের দাবি

বরিশাল জেলার উজিরপুর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী সাতলা বাজারসংলগ্ন সতলা খেয়াঘাটে নদীতে বালুচর জেগে ওঠায় ট্রলার ও খেয়া পারাপারে মারাত্মক বিঘ্ন সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে প্রতি রবি ও বুধবার হাটবারে শতাধিক ক্রেতা-বিক্রেতা, শিক্ষার্থী ও পথচারীকে চরম ঝুঁকি নিয়ে এই ঘাট দিয়ে পারাপার হতে হচ্ছে।

এটি সাতলা বাজারে যাতায়াতের একমাত্র খেয়াঘাট। বাজারের বোঝা ও ব্যাগ নিয়ে যাত্রীদের ট্রলারে ওঠানামা করতে গিয়ে নানাবিধ সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। এক সময় বৈঠাচালিত খেয়া নৌকাই ছিল পারাপারের প্রধান মাধ্যম। কালের বিবর্তনে তা বিলুপ্ত হয়ে বর্তমানে ইঞ্জিনচালিত স্টিলের ট্রলারই ভরসা। যদিও পরবর্তীতে সাতলায় ৫৬০ মিটার দীর্ঘ একটি সেতু নির্মিত হয়েছে, তবে সেটি ব্যবহার করতে হলে অনেক দূর ঘুরে আসতে হয়—এ কারণে স্থানীয়রা এখনও এই ট্রলারেই পারাপার করতে বাধ্য।

ঘাটের সামনেই জেগে ওঠা বড় বালুচরের কারণে ট্রলারকে পাশ ঘুরিয়ে, লগি দিয়ে পানির গভীরতা মেপে নালার ভেতর দিয়ে ভেড়াতে হয়। এতে যাত্রীদের নিরাপত্তা যেমন ঝুঁকিতে পড়ছে, তেমনি পারাপারেও বিলম্ব হচ্ছে।

খেয়া নৌকার মালিক মো. স্বপন বালী জানান, সাতলা বাজার নদীর পূর্ব প্রান্তে হওয়ায় পশ্চিম পাড়ের সাধারণ মানুষ, শিক্ষার্থীসহ সবাইকে এই ঘাট দিয়েই পার হতে হয়। এলাকাবাসীর সুবিধার্থে সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মরহুম আ. খালেক আজাদের উদ্যোগে কয়েক বছর আগে কয়েক লাখ টাকা ব্যয়ে নদীর দুই পাড়ে দুটি বড় ঘাটলা নির্মাণ করা হয়েছিল। বর্তমানে সেগুলোও ঝুঁকির মুখে।

এলাকাবাসীর দাবি, দ্রুত নদী খননের মাধ্যমে বালুচর অপসারণ করে খেয়াঘাটটি সচল ও নিরাপদ রাখা হোক। অন্যথায় ভবিষ্যতে ঘাট স্থানান্তরের প্রয়োজন হতে পারে, ফলে সরকারি অর্থে নির্মিত ঘাটলাসহ প্রাচীন খেয়াঘাট দুটি পরিত্যক্ত হয়ে পড়বে।

এ বিষয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মহেশ্বর মন্ডল বলেন, “সমস্যা সমাধানে ঘাট ইজারাদারকে জেলা প্রশাসকের বরাবর আবেদন করতে হবে। অনুমতি সাপেক্ষে নদী থেকে মাটি কাটা বা বিকল্প সমাধান নেওয়া সম্ভব, এর আগে নয়।

এলাকাবাসী দ্রুত প্রশাসনিক উদ্যোগের মাধ্যমে স্থায়ী সমাধানের আশায় দিন গুনছে।

পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status