|
দশমিনা–গলাচিপায় হাড্ডাহাড্ডি নির্বাচনী লড়াই; হাসান মামুন বনাম নুরুল হক নুর
মো. আমিনুল ইসলাম, দশমিনা
|
![]() দশমিনা–গলাচিপায় হাড্ডাহাড্ডি নির্বাচনী লড়াই; হাসান মামুন বনাম নুরুল হক নুর ঐতিহ্যগতভাবে আওয়ামী লীগের ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত এই আসনে স্বাধীনতার পর বিএনপি মাত্র একবার স্বল্প সময়ের জন্য জয়ী হয়েছে। কিন্তু গত বছরের জুলাই–আগস্টে ছাত্র–জনতার আন্দোলন এবং স্থানীয় রাজনীতির উত্তাপ এই আসনকে নতুনভাবে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে নিয়ে এসেছে। কেন্দ্রীয় বিএনপি নেতা হাসান মামুন সম্প্রতি বলেছেন, “দল, জোট নয়-জনগণই শক্তি। পটুয়াখালী–৩-এর জনগণের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে নির্বাচনে লড়ব।” উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি অ্যাডভোকেট খোরশেদ আলম বলেন, “মামুন ভাইয়ের আহ্বানে দীর্ঘদিন পর আমরা মাঠে সক্রিয় হচ্ছি। গতি বেড়েছে।” অপর প্রান্তে, গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর সরাসরি জনগণের সঙ্গে মিশে কাজ করছেন। তিনি বলেছেন, “চাঁদাবাজি, দালালি ও জুলুমের শৃঙ্খল ভেঙে মানুষকে মুক্তি দিতে চাই। এলাকার মানুষের প্রতি দায়বদ্ধতা থেকেই নির্বাচনে দাঁড়িয়েছি।” স্থানীয় ব্যবসায়ী নুরুল ইসলাম মনে করেন, “যারা মাঠের রাজনীতি করে, মানুষের পাশে থাকে।তাদের গ্রহণযোগ্যতাই বেশি।” জনপ্রিয়তার দ্বন্দ্ব:দশমিনা–গলাচিপার প্রবীণ রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, দুই প্রার্থীর জনপ্রিয়তার উৎস ভিন্ন:তবে হাসান মামুন: সংগঠনভিত্তিক শক্তি, দলীয় পরিচয় এবং কেন্দ্রীয় রাজনীতিতে দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা।আর নুরুল হক নুর: তরুণ ভোটারদের সমর্থন, মাঠের রাজনীতি এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থানে রয়েছেন। স্থানীয় রাজনৈতিক নেতারা মন্তব্য করছেন, “হাসান মামুন সংগঠনকে সক্রিয় করছেন, আর নুর ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তা বাড়াচ্ছেন। এই দুই প্রবাহ মিলেই তৈরি হচ্ছে নতুন রাজনৈতিক উত্তাপ।” বিএনপি এখনো প্রার্থী চূড়ান্ত করেনি। এই অনিশ্চয়তার মধ্যেই হাসান মামুন ও নুরুল হক নুরকে ঘিরে আলোচনা, প্রত্যাশা এবং উত্তাপ তুঙ্গে পৌঁছেছে। হাসান মামুনের সংগঠনভিত্তিক শক্তি ও নুরুল হক নুরের ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তা,দুই প্রবাহ মিলিয়ে পটুয়াখালী-৩ আসনে তৈরি করছে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ, যা আসন্ন নির্বাচনের ফলাফলকে করতে পারে অনিশ্চিত। নিরপেক্ষ পর্যবেক্ষকদের মতে, শেষ পর্যন্ত কে জনগণের আস্থা অর্জন করবে,সেটিই আসন্ন নির্বাচনের মূল প্রশ্ন। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
