|
টঙ্গীতে অগ্নিকান্ডে দগ্ধ ফায়ার সার্ভিসের সদস্য খন্দকার জান্নাতুল নাঈম মারা গেছেন
জাহাঙ্গীর হোসেন, শেরপুর
|
![]() টঙ্গীতে অগ্নিকান্ডে দগ্ধ ফায়ার সার্ভিসের সদস্য খন্দকার জান্নাতুল নাঈম মারা গেছেন শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টার দিকে রাজধানীর জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। এর আগে গত ২২ সেপ্টেম্বর টঙ্গীর সাহারা মার্কেটে কেমিক্যাল কারখানায় আগুন নেভাতে গিয়ে তিনি দগ্ধ হন। তার শরীরের ৪২ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল। খন্দকার জান্নাতুল নাঈমের বাড়ি শেরপুরের নকলা উপজেলার গৌড়দ্বার ইউনিয়নের লাভা গ্রামে। তিনি ২০১৬ সালের ২৪ আগস্ট বাংলাদেশ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সে যোগদান করেন। চাকরি জীবনে নাঈম স্টেশন কর্মকর্তা হিসেবে মানিকগঞ্জ ও নারায়ণগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস স্টেশনে দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে পদোন্নতি পেয়ে তিনি ওয়্যারহাউজ ইন্সপেক্টর হিসেবে চট্টগ্রাম ও সর্বশেষ টঙ্গী ফায়ার স্টেশনে কর্মরত ছিলেন। নাঈমের পিতার নাম খন্দকার মোজাম্মেল হেসেন। ব্যাক্তিগত জীবনে নাঈম বিবাহিত এবং এক কন্যা সন্তানের জনক। নাঈমের মৃত্যুতে নকলা উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে শোক প্রকাশ করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জাহাঙ্গীর আলম। তিনি জানান অগ্নি দূর্ঘটনার মত ঝুঁকিপূর্ণ কাজে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে গৌরবময় আত্মত্যাগের মিছিলে সর্বশেষ যোগ হলো খন্দকার জান্নাতুল নাঈমের নাম। পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে ঢাকায় নামাজে জানাযা শেষে নাঈমের মরদেহ গ্রামের বাড়িতে আনা হবে। পরে রাতেই দ্বিতীয় নামাজে জানাযা শেষে তার মরদেহ পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
আলফাডাঙ্গায় ২৮ জুন ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন: সফল করতে প্রস্তুতি সভা সম্পন্ন
সেনাবাহিনীর উদ্যোগে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত
স্মার্টফোন বিস্ফোরণে আতঙ্ক, টঙ্গীতে ভিভো ফোনে অল্পের জন্য রক্ষা পেল পরিবার
সাতক্ষীরায় রাফাতের মৃত্যুর ঘটনার সঠিক তদন্ত পূর্বক দোষীদের আইনের আওতায় আনার দাবিতে মানববন্ধন
