|
বগুড়ায় দেড় ডজন মামলার আসামী ও যুবলীগ নেতা মতিন সরকার গ্রেপ্তার
নতুন সময় প্রতিনিধি
|
|
বগুড়ায় দেড় ডজন মামলার আসামী ও যুবলীগ নেতা মতিন সরকার গ্রেপ্তার পুলিশ জানায়, কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী পরিবারের সদস্য আবদুল মতিন সরকার বগুড়া শহরের চকসুত্রাপুর এলাকার মৃত মজিবর রহমানের ছেলে। তিনি আলোচিত নারী নির্যাতনকারী ও ‘ধর্ষক’ তুফান সরকারের বড় ভাই। তিনি বগুড়া শহর যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। পরে তাকে বহিষ্কার করা হয়। তার বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি হত্যা, অস্ত্র, মাদক আইনে মামলা রয়েছে। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় একাধিক হত্যাসহ বেশ কয়েকটি মামলা হয়েছে। সব মিলিয়ে তার বিরুদ্ধে ১৮টি মামলা রয়েছে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গত ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর কুখ্যাত ‘মাদক বিক্রেতা পরিবারের সন্তান’ খ্যাত আবদুল মতিন প্রভাবশালী এক যুবলীগ নেতার সহযোগিতায় বগুড়া শহর যুবলীগের যুগ্ম সম্পাদকের পদলাভ করেন। রাজনৈতিক ছত্রচ্ছায়ায় তিনি মাদক ব্যবসার পাশাপাশি চাঁদাবাজি, দখল, টেন্ডার বাণিজ্য, হাট-বাজার ইজারা নিয়ন্ত্রণ ও পরিবহন সেক্টরে চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িয়ে পড়েন। হত্যা, অস্ত্র ও মাদক মামলা থাকা সত্ত্বেও তিনি কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কতিপয় সুবিধাবাদী নেতার প্রভাবে স্থানীয় সরকার ও জাতীয়সহ বিভিন্ন ভোট ডাকাতিতে অংশ নেন। দলের প্রভাবে তিনি বগুড়া আন্তজেলা ট্রাক মালিক সমিতি ও জেলা চামড়া ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদকের পদ বাগিয়ে নেন। পরবর্তীতে নামের সঙ্গে ‘সরকার’ উপাধি যোগ করেন। মতিন গত ২০০০ সালে অস্ত্রসহ গ্রেফতার হন। ২০০৭ সালে ওই মামলায় তার ২৭ বছর সশ্রম কারাদণ্ড হয়েছিল। কয়েক বছর সাজাভোগ করার পর বেরিয়ে আসেন। ১৯৯৮ সাল থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত শহরে আলোচিত ৪-৫টি মামলার আসামি হন। র্যাব-১২ বগুড়া কোম্পানির কমান্ডার সুমিত চৌধুরীর নেতৃত্বে সদস্যরা ২০১২ সালে জুয়া ও মদের আসর থেকে মোটা অঙ্কের টাকাসহ মতিনকে গ্রেফতার করেছিলেন। গুঞ্জন রয়েছে, মতিনকে গ্রেফতার করায় র্যাব কমান্ডারকে বগুড়া থেকে বদলি হতে হয়েছিল। গ্রেফতারের কিছুদিন পর তিনি জামিনে বেরিয়ে আসেন। তবে রবিববার(২২জুন) তাকে আদালতে হাজির করা হতে পারে জানান ওই পুলিশ কর্মকর্তা। |
| « পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ » |
