|
উদ্ভাবন, সাফল্যের অনুপ্রেরণায় পর্দা নামলো ‘টেডএক্সড্যাফোডিলইউ’র
নতুন সময় প্রতিবেদক
|
![]() উদ্ভাবন, সাফল্যের অনুপ্রেরণায় পর্দা নামলো ‘টেডএক্সড্যাফোডিলইউ’র শনিবার (৩১ মে) সাভারের বিরুলিয়ায় ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির (ডিআইইউ) ক্যাম্পাসের মিডিয়া ল্যাবে তৃতীয়বারের মতো এই অনুষ্ঠান আয়োজন করেছে বিশ্ববিদ্যালয়টির হিউম্যান রিসোর্স ডেভেলপমেন্ট ইনসটিটিউট (এইচআরডিআই)। এবারের আয়োজনে বক্তা হিসেবে ছিলেন জাতীয় পুরস্কার প্রাপ্ত কৃষিবিদ ও ডিআইইউ’র কৃষিবিজ্ঞান বিভাগের বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর ড. এম এ রহিম; দেশের অর্থনীতিতে দীর্ঘস্থায়ী ও টেকসই ব্যবসা প্রতিষ্ঠা ও কার্বন ক্রেডিট নিয়ে কাজ করে যাওয়া ব্যক্তিত্ব শুভাশীষ ভৌমিক ও প্রকল্পভিত্তিক গবেষণা চিকিৎসক ডা. আওসাফ করিম। তারা নিজ নিজ খাতের উপর দিকনির্দেশনা এবং অনুপ্রেরণামূলক বক্তব্য দেন। এছাড়া এবারের টেডএক্সড্যাফোডিলইউ- এ ছিল তারুণ্যের জয়জয়কার। তাই তরুণ সফল উদ্যোক্তা ও এই আয়োজনের বক্তা হিসেবে মঞ্চে নিজেদের অভিজ্ঞতা ও আত্মসংগ্রামের গল্প বলেছেন উম্মে মাইসুন ও তামজিদ রহমান। পাশাপাশি তরুণ বক্তা- হাইব্রিড অ্যাথলেট সাজিদ হাসান খান- তার নিজের স্বপ্ন ও সফলতার গল্পে মাতিয়েছেন মঞ্চ। টেডএক্সড্যাফোডিলইউ ২০২৫ আয়োজনের আহ্বায়ক প্রফেসর ড. মো. রকিবুল কবির বলেন, চিন্তা, চেতনা ও চ্যালেঞ্জ পেরিয়ে 'টার্নিং পয়েন্ট'-এর গল্প বললো এবারের টেডএক্সড্যাফোডিলইউ। স্বপ্ন ও সাহসের সন্ধানের দিক থেকে এই আয়োজন অনন্য হয়ে রইলো। এ জন্য আমাদের সহযোগী প্রতিষ্ঠান, সকল স্পন্সর এবং অন্যান্য শুভাকাঙ্খীদের আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানাই। টেড (টেকনোলজি, এন্টারটেইনমেন্ট, ডিজাইন) হলো একটি আন্তর্জাতিক মঞ্চ, যেখানে ‘আইডিয়াস ওয়ার্থ স্প্রেডিং’এই মূলমন্ত্রে বিশ্বাসী হয়ে চিন্তাশীল ব্যক্তিরা তাদের অভিজ্ঞতা ও দৃষ্টিভঙ্গি শেয়ার করেন। টেডএক্স হলো টেড-এর স্থানীয় সংস্করণ, যা স্বাধীনভাবে আয়োজিত হয় এবং আঞ্চলিক চিন্তা ও উদ্ভাবনী ভাবনাকে তুলে ধরতে সাহায্য করে। সেই প্রেক্ষাপটেই টেডএক্সড্যাফোডিলইউ ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির একটি উদ্যোগ, যা তরুণদের জ্ঞান, অভিজ্ঞতা ও সম্ভাবনাকে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পৌঁছে দিতে কাজ করছে। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
