|
কে হবেন মম, মিম, বাঁধন, মেহজাবীনদের উত্তরসূরি?
নতুন সময় প্রতিবেদক
|
![]() কে হবেন মম, মিম, বাঁধন, মেহজাবীনদের উত্তরসূরি? ২০০৫ সালে প্রথমবার অনুষ্ঠিত হয় লাক্স চ্যানেল আই সুপারস্টার প্রতিযোগিতা। ২০১৮ সালে অনুষ্ঠিত সর্বশেষ লাক্স চ্যানেল আই সুপারস্টার প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হন মিম মানতাসা। এরপর এই প্রতিযোগিতার আর কোনো আয়োজন হয়নি। সে হিসেবে সাত বছর পর আবার তারকা খোঁজার এ আয়োজন শুরু হচ্ছে। ২০০৫ সালে অনুষ্ঠিত প্রথমবারের লাক্স চ্যানেল আই সুপারস্টার প্রতিযোগিতার প্রথম আসরে শ্রেষ্ঠত্বের মুকুট জিতে নেন শানারেই দেবী শানু। এরপর যথাক্রমে সেই প্রতিযোগিতা থেকে উঠে আসেন জাকিয়া বারী মম, আফসান আরা বিন্দু, আজমেরী হক বাঁধন, বিদ্যা সিনহা মিম, মেহজাবীন চৌধুরী, মৌসুমী হামিদ, টয়া, নাদিয়া মিম ও মিম মানতাসার মতো তারকারা। লাক্স সুপারস্টার প্রতিযোগিতার পর তাঁদের আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। নিয়মিত কাজ করছেন বিজ্ঞাপনচিত্র, নাটক, ওয়েব সিরিজ, ওয়েব ফিল্ম ও পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রে। ২০১০ সাল পর্যন্ত এই প্রতিযোগিতা টানা অনুষ্ঠিত হলেও এরপর অনিয়মিত হয়ে পড়ে। এক বছর বিরতি দিয়ে ২০১২ সালে ফিরলে আবার দুই বছরের জন্য বন্ধ হয়ে যায়। ২০১৪ সালের পর এই আয়োজনের বিরতি ছিল চার বছরের। লাক্স তাদের ফেসবুক পেজে জানিয়েছে, ৬ মে শুরু হয়েছে প্রতিযোগিতার নাম নিবন্ধন। www.luxsuperstar.com ওয়েবসাইট ভিজিট করে ১৮ থেকে ২৭ বছরের আগ্রহী নারীরা নাম নিবন্ধন করতে পারবেন। বর্তমান সময়ের কথা মাথায় রেখে পরিবর্তন আনা হয়েছে রিয়েলিটি শোর ফরম্যাটে। অভিনয় ও স্টাইলিংয়ের পাশাপাশি এবার যুক্ত করা হয়েছে কনটেন্ট নির্মাণের যোগ্যতার বিষয়ও। লাক্স সুপারস্টারের এবারের আয়োজনে যুক্ত হয়েছেন অভিনেত্রী জয়া আহসান, মেহজাবীন চৌধুরী ও নির্মাতা রায়হান রাফী। গতকাল শুক্রবার লাক্সের ফেসবুক পেজে শেয়ার করা প্রচারণামূলক ভিডিওতে এমনটা জানানো হয়। সেই ভিডিও শেয়ার করে মেহজাবীন চৌধুরী লেখেন, ‘২০০৯–এ যখন আমি লাক্স সুপারস্টারে রেজিস্ট্রেশন করলাম, সত্যি বলতে আমিও তখন একটু নার্ভাস ছিলাম। এত বড় একটা প্ল্যাটফর্ম, বড় বড় মানুষের সামনে নিজেকে প্রেজেন্ট করা, সবটা নিয়েই। কিন্তু এই প্ল্যাটফর্মই আমাকে সাহস দিয়েছে এত দূর আসার। এবার যারা অংশগ্রহণ করছ, তাদের সঙ্গে আমি থাকব শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত।’ জয়া, মেহজাবীন ও রাফী ছাড়া প্রতিযোগিতার প্রমোশনে অংশ নিচ্ছেন বিদ্যা সিনহা মিম, মুমতাহিনা টয়া ও নীলাঞ্জনা নীলা। জানা গেছে, শিগগিরই সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে প্রতিযোগিতার বিষয়ে বিস্তারিত জানাবেন আয়োজকেরা। এদিকে চ্যানেল আইয়ের বিপণন বিভাগের পরিচালক ইবনে হাসান খান এই আয়োজন প্রসঙ্গে গণমাধ্যমকে বলেন, ‘এই শো বিনোদন অঙ্গনে কাজ করতে আগ্রহী তরুণী ও নারীদের জন্য অনেক বড় একটা প্ল্যাটফর্ম। এখানে আসার পর সেই প্রতিযোগীরা চ্যানেল আই ও লাক্সের মতো আরেকটা বড় পরিবারের সঙ্গে যুক্ত হন। লাক্স ও চ্যানেল আই সেই প্রতিযোগীদের নানা ধাপে গ্রুমিং করে ভবিষ্যতের জন্য তৈরি করে, তাঁদের স্বপ্ন পূরণে সহায়ক হয়ে ওঠে। সত্যি বলতে, যেকোনো নতুন জায়গায় কাজ করতে গেলে সবারই কমবেশি একটা ভয় বা সংকোচ কাজ করে, তরুণীদের তো এসব আরও বেশি থাকে। কিন্তু তাঁরা যখন নিজেদের পরিবারের বাইরে চ্যানেল আই ও লাক্সের মতো শক্তিশালী আরও দুটি পরিবার কাছে পান, তখন তাঁদের উদ্যম অনেকখানি বেড়ে যায়, হয়ে ওঠেন প্রচণ্ড রকম আত্মবিশ্বাসী। আর সে কারণেই খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে এসব প্ল্যাটফর্মের নারীরা নিজেদের শক্ত অবস্থান গড়ে নিতে সক্ষম হন।’ লাক্স চ্যানেল আই সুপারস্টার প্রতিযোগিতায় বিজয়ীরা এর আগে নানা ধরনের পুরস্কারের পাশাপাশি চলচ্চিত্রে অভিনয়ের সুযোগ পেয়েছেন। এবারও সে রকম কিছুর পাশাপাশি আরও বড় পরিসরের কিছু থাকবে বলে জানিয়েছেন ইবনে হাসান খান। তিনি জানালেন, বিনোদন অঙ্গনের পরিসর এখন অনেক বড় হয়েছে, হয়েছে গতিশীলও। এখানে আরও সৃজনশীল কাজ করার জন্য একটা নতুন ধ্যানধারণার পাশাপাশি বড় ধরনের সুযোগ বিজয়ীরা পাবেন। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
