|
বিষক্রিয়ায় আওয়ামী লীগ নেতাদের মৃত্যু নিয়ে যা জানা গেল
নতুন সময় প্রতিনিধি
|
![]() বিষক্রিয়ায় আওয়ামী লীগ নেতাদের মৃত্যু নিয়ে যা জানা গেল অবশ্য মৃত্যুবরণ করা আওয়ামী লীগ নেতা গিয়াস উদ্দিন ও জহির রায়হানকে হাসপাতালে ভর্তির সময় নথিতে ‘অ্যালকোহল অ্যাবিউসার’ (মদ্যপানকারী) উল্লেখ করা হয়। মৃত্যুবরণকারী গোবিন্দ চন্দ্র বিশ্বাসকে ভর্তির সময় উল্লেখ করা হয় ‘হৃদ্রোগ’। তারা হচ্ছেন- কুলিয়ারচর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. গিয়াস উদ্দিন (৫৭) ও জহির রায়হান (৫৮), স্থানীয় হোমিও চিকিৎসক গোবিন্দ বিশ্বাস (৪৫) এবং গাড়ি চালক শাহজাহান মিয়া (৪৫)। এ ছাড়া একই ঘটনায় কুলিয়ারচর পৌরসভার প্যানেল মেয়র ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য হাবিবুর রহমানও অসুস্থ হয়ে ঢাকার একটি হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে আছেন। কুলিয়ারচর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ইমতিয়াজ বিন মুছা বলেন, “গিয়াস উদ্দিন ও জহির রায়হান দলের সক্রিয় নেতা ছিলেন। হাবিবুর রহমানও সক্রিয় আছেন।” পুলিশ ও উপজেলা আওয়ামী লীগের একাধিক নেতার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, শনিবার রাতে পাঁচজনই এক ব্যক্তির বাড়িতে দাওয়াতে গিয়েছিলেন। সেখান থেকে ফেরার পর সবাই অসুস্থবোধ করেন। রোববার সকালে কাউন্সিলর হাবিবুর রহমানকে বাজিতপুরের জহুরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে তাকে গতকাল ঢাকায় পাঠানো হয়। বর্তমানে তিনি লাইফ সাপোর্টে আছেন। এরপর রোববার রাতে আওয়ামী লীগ নেতা গিয়াস উদ্দিন ও জহির রায়হানকেও জহুরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার ভোরে মারা যান গিয়াস উদ্দিন। তার কিছু পরে হাসপাতালের চিকিৎসকদের পরামর্শে জহির রায়হানকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হয়। পথেই তিনি মারা যান। কুলিয়ারচর থানার ওসি মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফা বলেন, গোবিন্দ বিশ্বাসকেও বাজিতপুরের জহুরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। সেখানেই তিনি মারা গেছেন। শাহজাহান মিয়া নিজ বাড়িতেই মারা গেছেন। আওয়ামী লীগ নেতা গিয়াস উদ্দিন ও জহির রায়হান উপজেলার বড়খারচর, গোবিন্দ বিশ্বাস একরামপুর এবং শাজাহান মিয়া ভাটি দোয়ারিয়া গ্রামের বাসিন্দা। জহুরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের হাসপাতালের পরিচালক মো. বাহার উদ্দিন বলেন, তাদেরকে হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য আনা হয়েছিল। তিনজন এখানে মারা গেছেন। হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক মো. বাহার উদ্দিন ভূঁইয়া সাংবাদিকদের বলেন, গিয়াস ও জহিরকে হাসপাতালে আনা হয়েছিল সোমবার ভোর চারটার দিকে। সে সময় দুজনের শরীরে প্রাণ থাকলেও সাড়া দিচ্ছিলেন না। পরে ৪টা ৩৫ মিনিটের দিকে গিয়াস মারা যান। কুলিয়ারচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. গোলাম মস্তুফা বলেন, এখন পর্যন্ত চার মৃত্যু নিয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ নেই। মৃত্যুর কারণও অজানা। তবে কারণ জানার চেষ্টায় আছে পুলিশ।
|
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
