|
অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে নানা অপকর্মের রেকর্ড মিন্টুর
নতুন সময় ডেস্ক
|
![]() অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে নানা অপকর্মের রেকর্ড মিন্টুর শুধু নিজেই প্রতারণা করে থামেননি, অন্যের প্রতারণার কাজেও তিনি সহযোগিতা করে থাকেন বলে পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে। গুলশানের ডিএনসিসি মার্কেটে তার পূর্ব পরিচিত মনিরের ভগ্নিপতি আরিফ বিকাশে টাকা পাঠিয়ে যখন না দেয়ার টালবাহানা শুরু করেন তখন তাকে দোকানি হাবিবুর রহমান আটকান। পরে খবর পেয়ে যাত্রাবাড়ী থেকে তার রিভলবার নিয়ে আসেন গুলশানের ডিএনসিসি মার্কেটে। সঙ্গে করে নিয়ে আসেন আরও ৪ জনকে। টাকা না দিয়ে আরিফকে ছাড়িয়ে নেয়ার জন্য জোরজবরদস্তি করতে থাকেন তিনি। মোবাইল এজেন্ট দোকানি হাবিবুর যখন আরিফকে ছাড়তে রাজি হননি তখন মিন্টু এবং তার লোকজন আলফা স্টোর নামের দোকানিকে মারধর শুরু করেন। হাবিবুরের ওপর হামলা দেখে এসময় স্থানীয় দোকানিরাও মিন্টু ও তার লোকজনের ওপর চড়াও হয়। এ সময় মিন্টু সবাইকে ভয় দেখাতে এলোপাতাড়ি গুলি ছোড়া শুরু করে। সবাই তখন এদিক সেদিক ছোটাছুটি শুরু করে। তার গুলিতে একজন ভ্যানচালক ও একজন গাড়িচালক আহত হন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ৫ জনকে আটক করে। আটককৃতরা হলো- হুমায়ুন, শরিফ, আরিফ হোসেন, দোকানদার হাবিবুর ও তার সহযোগী খলিল। ঘটনার সঙ্গে কোনো যোগসাজশ না থাকায় পরে পুলিশ হাবিবুর ও খলিলকে ছেড়ে দেয়। সূত্র জানায়, এ ঘটনায় রোববার মধ্যরাতে গুলশান থানায় ৫ জনের নামে একটি মামলা দায়ের হয়েছে। এ ঘটনায় ঢাকা মহানগর উত্তর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহ-সভাপতি অভিযুক্ত আব্দুল ওয়াহিদ মিন্টুসহ তিন জনকে গ্রেপ্তার দেখিয়েছে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃতরা অন্যরা হলেন- মনির আহমেদ ও আরিফ হোসেন। মামলার এজাহারভুক্ত অন্য দু’জন হলেন- শরিফুল ও হুমায়ুন। তারা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে গেছে। পুলিশ তাদের গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান চালাচ্ছে। এ বিষয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশের গুলশান অঞ্চলের উপ-কমিশনার (ডিসি) আব্দুল আহাদ গতকাল জানান, গুলশানের ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। বিকাশের টাকা লেনদেনকে কেন্দ্র করে গুলির ঘটনা ঘটেছে। তিনি আরও জানান, মামলার এজাহারে ৫ জন আসামির মধ্যে তিন জন গ্রেপ্তার থাকলেও দুই জন পলাতক আছে। তাদের ধরতে বিভিন্নস্থানে অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ। মামলার তদন্তের সঙ্গে জড়িত গুলশান বিভাগের এক দায়িত্বশীল পুলিশ কর্মকর্তা জানায়, মিন্টুকে গ্রেপ্তারের পর তারা তার বিষয়ে খোঁজখবর নিয়েছেন। সূত্র জানায়, গুলশানে যে অস্ত্রটি দিয়ে গুলি করা হয় সেটি জব্দ করে পুলিশ। পরে পুলিশ তার কাছে অস্ত্রের লাইসেন্সের নথি চাইলে তিনি তার লোকজনকে দিয়ে বাসা থেকে আনিয়ে নেন। ওই অস্ত্রটির ২০১৬ সালে লাইসেন্স নেয়া হয়। সূত্র জানায়, আরিফ বিকাশে টাকা পাঠিয়ে তার ভগ্নিপতি মনিরকে ফোন দেন। পরে মনির মিন্টুকে ফোন দিলে তিনি আরও তিন জনকে নিয়ে আসেন। ঘটনাটি পরিকল্পিত কিনা তা খতিয়ে দেখছে মামলার তদন্তকারীরা। সূত্র জানায়, এ ঘটনার ভিডিও ফুটেজ সংগ্রহ করেছে পুলিশ। সূত্র: মানবজমিন |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
