ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
শুক্রবার ২৬ জুন ২০২৬ ১২ আষাঢ় ১৪৩৩
মামাতো ভাইয়ের হয়ে কারাবরণ : আইনজীবীসহ চারজনের বিরুদ্ধে মামলার নির্দেশ
নতুন সময় প্রতিবেদক
প্রকাশ: Tuesday, 1 February, 2022, 8:33 PM

মামাতো ভাইয়ের হয়ে কারাবরণ : আইনজীবীসহ চারজনের বিরুদ্ধে মামলার নির্দেশ

মামাতো ভাইয়ের হয়ে কারাবরণ : আইনজীবীসহ চারজনের বিরুদ্ধে মামলার নির্দেশ

মামাতো ভাইয়ের হয়ে চার বছর ধরে করাগারে থাকা সেই মো. হোসেন, মামলার প্রকৃত আসামি এবং দুই আইনজীবীর বিরুদ্ধে প্রতারণার মামলা করার নির্দেশ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। আজ মঙ্গলবার ঢাকার চার নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক জেসমিন আরা বেগম এ আদেশ দেন।

এদিন যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত মামাতো ভাইয়ের পরিবর্তে কারাগারে থাকা হোসেনকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করেন কারা কর্তৃপক্ষ। সেখানে সবকিছু স্বীকার করেন তিনি। হোসেন জানান, স্বেচ্ছায় তিনি মামাতো ভাইয়ের হয়ে ট্রাইব্যুনালে আত্মসমর্পণ করে কারাগারে যান।

এরপর কোতোয়ালী থানা পুলিশের হাতে হোসেনকে সোপর্দ করেন বিচারক। একই সঙ্গে হোসেন, মূল আসামি বড় সোহাগ, তার দুই আইনজীবী শরীফ শাহরিয়ার সিরাজী ও ইব্রাহিম হোসেনের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটকে (সিএমএম) নির্দেশ দেন। সিএমএম ওই নির্দেশ পাওয়ার পর কোতোয়ালী থানাকে মামলা নিতে নির্দেশ দিয়েছেন।

আদালতে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে হোসেন জানান, তিনি মাদকসেবন করতেন, এটা-সেটা চুরিও করতেন। যে কারণে লোকজনের হাতে মার খেতেন। তাই মাদক ছেড়ে ভালো পথে ফিরতেই মামাতো ভাইয়ের হয়ে সেদিন স্বেচ্ছায় কারাগারে যান।

তিনি আরও জানান, তার আপনজন বলতে কেউ নেই। মা-বাবা, ভাই-বোন সবাই মারা গেছেন। ভবঘুরে ছিলেন তিনি। কখনো বিল্ডিংয়ের রংমিস্ত্রির কাজ করতেন, কখনো গাড়ি চালাতেন। এ মামলায় তার মামাতো ভাই বড় সোহাগসহ আসামি ছিলেন ছয়জন। মাঝেমধ্যে তিনিও তাদের সঙ্গে আদালতে আসতেন।

হত্যা মামলায় ২০১৭ সালে মামাতো ভাই সোহাগসহ তিনজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয়। পরের বছর স্বেচ্ছায় আদালতে এসে আইনজীবীর মাধ্যমে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন হোসেন। সেদিন আদালতে নিজেকে সোহাগ বলেই পরিচয় দেন তিনি। আদালত সেদিন তাকে জামিন না দিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। এরপর থেকে তিনি সেখানেই ছিলেন।

এর আগে, ভুয়া জাতীয় পরিচয়পত্র বানিয়ে পাসপোর্টও তৈরি করেন আসল সোহাগ। দুবাই যাওয়ার সব প্রস্তুতিও ছিল তার। তবে বিদেশ যেতে করোনার টিকা বাধ্যতামূলক হওয়ায় গত ২৯ জানুয়ারি টিকা নিতে রাজধানীর মিটফোর্ড হাসপাতালে যান তিনি। আর তখনই র‌্যাবের হাতে ধরা পড়েন দীর্ঘদিন ধরে পলাতক থাকা যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি সোহাগ ওরফে বড় সোহাগ।

সোহাগ গ্রেপ্তার হওয়ার পর র‌্যাব-১০-এর অধিনায়ক (সিও) অতিরিক্ত ডিআইজি মাহফুজুর রহমান জানান, সোহাগের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় ২টি হত্যা মামলা, ২টি অস্ত্র মামলা ও ৬টি মাদক মামলাসহ সর্বমোট ১০টি মামলা রয়েছে।

পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status