|
আশ্রয়হীন শিশুদের নিরাপদ আশ্রয় ‘ডিআইএসএস’
মোহাম্মদ জাহাংগীর হোসেন
|
|
আশ্রয়হীন শিশুদের নিরাপদ আশ্রয় ‘ডিআইএসএস’ ![]() আশ্রয়হীন শিশুদের নিরাপদ আশ্রয় ‘ডিআইএসএস’ সরকারের সহযোগী প্রতিষ্ঠান হিসেবে “ড্যাফোডিল ফাউন্ডেশন”এর মাধ্যমে দেশের সুবিধাবি ত শিশুদের অধিকার প্রতিষ্ঠা, তাদের শারীরিক, মানসিক ও নৈতিক বিকাশ, আনুষ্ঠানিক শিক্ষার ব্যবস্থা, ভরণ-পোষণ এবং আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর দক্ষ জনশক্তি হিসেবে প্রস্তুত করার লক্ষ্যে “ড্যাফোডিল ইন্সটিটিউট অব সোশ্যাল সাইন্সেস বা ডিআইএসএস” গড়ে তোলা হয়েছে। ভারতের উড়িষ্যার বিখ্যাত কালিঙ্গ ইন্সটিটিউট অব সোশ্যাল সাইন্সেস-কেআইএসএস ১৯৯২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। ভারতের লোকসভার সংসদ সদস্য ড. অচ্ছ্যূত সামন্ত উক্ত প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা। প্রতিষ্ঠানটি প্রায় ৩০ হাজার সুবিধাবি ত উপজাতি শিশু নিয়ে কার্যক্রম পরিচালনা করছে। তারই ব্যক্তিগত আগ্রহে কেআইএসএসকে রোল মডেল হিসেবে বিবেচনা করেই বাংলাদেশে “ড্যাফোডিল ইন্সটিটিউট অব সোশ্যাল সাইন্সেস- ডিআইএসএস গড়ে তোলার জন্য ২০১৮ এর ১১ জানুয়ারিতে এক সমঝোতা সাক্ষরিত হয়। সেই সমঝোতা অনুসারে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিরর সহযোগিতায় ডিআইএসএস-এর সুবিধাবি ত শিশুরা তাদের মৌলিক অধিকারগুলো পূরণ করতে পারবে। ডিআইএসএস পর্যায়ক্রমে চার হাজার শিশু এখানে অন্তবর্তীকালীণ সময়ের জন্য সকল প্রকার সুবিধার আওতায় আসবে। এই প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রতিটি শিশুর জীবন এমনভাবে গড়ে তোলা হবে যাতে সে সমাজ ও পরিবারে ফিরে গিয়ে আত্মনির্ভরশীল হয়ে জাতীয়ভাবে অবদান রাখতে সক্ষম হয়। ![]() আশ্রয়হীন শিশুদের নিরাপদ আশ্রয় ‘ডিআইএসএস’ শিশু ভর্তির ক্ষেত্রে যেসব বিষয় বিবেচনা করা হয়: >পিতামাতার খোজ নেই কিংবা উভয়ে মৃত, আত্মীয়স্বজনের খবর নেই ফলে আশ্রয়হীন >পিতামাতা উভয়ে পৃথকভাবে বসবাস করায় শিশুটির দায়িত্ব কেউ নিচ্ছে না >পিতার সম্পূর্ণভাবে অক্ষম, মাতা অন্যত্র চলে গেছেন ফলে শিশুটি চরম ঝুকিতে আছে >হারিয়ে যাওয়া আশ্রয়বিহীন পথশিশু অন্য শিশুহোমের আশ্রয়ে থাকা শিশু সুযোগ সুবিধার অভাবে শিশুর বিকশিত হতে পারছে না তাদেরকেও কর্তৃপক্ষের বিশেষ বিবেচনায় ডিআইএসএস -এ ভর্তি করা যাবে। জাতীয় শিশু নীতিমালা, শিশু অধিকার সনদ, শিশু আইন, সংবিধান এবং জাতিসংঘের সার্বজনীন মানবাধিকার ঘোষণায় প্রতিটি শিশুর মৌলিক অধিকার তথা খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা ও চিকিৎসা নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে। এসব আইন ও বিধান বিবেচনায় রেখে এবং সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে ড্যাফোডিল ইন্সটিটিউট অব সোশ্যাল সাইন্সেস মূলত গড়ে উঠছে আশ্রয়হীন শিশুদের সুরক্ষা ও উন্নয়নের জন্যে। এই প্রতিষ্ঠান ভবিষ্যতে একটি উদাহরণ সৃষ্টি করবে বলে অনেকে মনে করেন। ডিআইএসএস মনে করে, শিশু তার অভিভাবকের কাছেই নিরাপদ। শিশুর বিকাশকে বাধাগ্রস্থ করে এমন কাজ থেকে ডিআইএসএস সবসময় বিরত থাকবে। আর তাই ডিআইএসএস সুবিধাবি ত শিশুদের জন্য হবে নিরাপদ আবাসন এবং পরিপূর্ণভাবে বিকশিত হওয়ার জন্য একটি আদর্শ শিশু হোম। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
