ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
শুক্রবার ১৯ জুন ২০২৬ ৫ আষাঢ় ১৪৩৩
দেবকে মৃত ভেবে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল শ্মশানে
নতুন সময় ডেস্ক
প্রকাশ: Sunday, 22 August, 2021, 8:10 PM

দেবকে মৃত ভেবে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল শ্মশানে

দেবকে মৃত ভেবে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল শ্মশানে

শৈশবে মৃত ভেবে টালিউডের তারকা অভিনেতা ও সাংসদ দীপক অধিকারী ওরফে দেবকে শ্মশানে ফেলে রেখেছিল গ্রামবাসী। সম্প্রতি শাশ্বত চট্টোপাধ্যায়ের সঞ্চালনায় একটি টক শো’তে এমনটিই জানিয়েছেন তিনি। টক শো’তে দেবের সঙ্গে ছিলেন রুক্মিণী মৈত্রও। পুরো ঘটনা জেনে শিউরে ওঠেন তিনি।

দেব জানায়, গাজনের মেলা দেখতে মুম্বাই থেকে মামার বাড়ি যান দেব। তখন তিনি খুবই ছোট। সবার সঙ্গে হইহই করতে করতে গ্রামের মেলায় গিয়েছিলেন। সেখানেই সম্ভবত কেউ কিছু খাইয়ে দিয়েছিল তাকে। সঙ্গে সঙ্গে অজ্ঞান তিনি। যার জেরে কিছুক্ষণ নয়, টানা একটি দিন জ্ঞান ফেরেনি তার! এদিকে গ্রামবাসীরা ভেবেছেন, তিনি মৃত। নির্দিষ্ট সময়ের পরে তাকে দাহ করতে নিয়ে চলে আসেন শ্মশানে।

তিনি জানান, দেব নিখোঁজ হতেই দেবের নানা তাকে হন্যে হয়ে খুঁজছেন। আর কাঁদছেন, কী জবাব দেবেন মেয়ে-জামাইকে। এদিকে শ্মশানে ফেলে রেখে যাওয়ার একদিন পরে জ্ঞান ফেরে দেবের। সারা রাত খোঁজাখুঁজির পর তাকে খুঁজে পান নানা-মামারা। তার নানা ততক্ষণে প্রতিজ্ঞা করে ফেলেছেন, যত তাড়াতাড়ি সম্ভব দেবকে বাড়ি পাঠিয়ে দেবেন। কারণ, তিনি তার মেয়ের একমাত্র সন্তান।

দেব আরও জানান, নানা তার জন্য সেই সময় মানত করেছিলেন, দেবকে খুঁজে পেলে বড় হওয়ার পর তিনি তাকে দিয়ে গাজনের সন্ন্যাস পালন করাবেন। নানার মানত রাখতে মাধ্যমিক পরীক্ষা দেওয়ার পরে আবার গ্রামে ফিরেছিলেন দেব। এক সপ্তাহের জন্য তিনি গাজনের সন্ন্যাসী হয়েছিলেন। অন্যান্য সন্ন্যাসীদের মতো তখন তিনিও মন্দিরে থাকতেন।

পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status