ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
শুক্রবার ১৯ জুন ২০২৬ ৫ আষাঢ় ১৪৩৩
রাস্তা নিয়ে বিজিবি-গ্রামবাসীর দ্বন্দ্ব, অবশেষে সমঝোতা
নতুন সময় প্রতিনিধি
প্রকাশ: Monday, 26 July, 2021, 8:51 PM

রাস্তা নিয়ে বিজিবি-গ্রামবাসীর দ্বন্দ্ব, অবশেষে সমঝোতা

রাস্তা নিয়ে বিজিবি-গ্রামবাসীর দ্বন্দ্ব, অবশেষে সমঝোতা

লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা তিস্তা ব্যারাজ এলাকায় অবস্থিত ৬১ বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)’র তিস্তা ব্যাটালিয়ন-২ ক্যাম্পের পেছন দিয়ে চলাচলের রাস্তা নিয়ে স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে বিজিবি’র দ্বন্দ্ব দেখা দিয়েছে।

এর জের ধরে সোমবার (২৬ জুলাই) ক্যাম্প এলাকায় স্থানীয় গ্রামবাসী ও বিজিবির লোকজনের মাঝে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরে হাতীবান্ধা থানা পুলিশের ওসি এরশাদুল আলমের মধ্যস্থায় উভয়পক্ষের মাঝে আলোচনা করে সমঝোতা হয়।


প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয়রা জানান, ওই বিজিবি ক্যাম্পের পেছনে পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্মিত তিস্তা নদীর একটি বাঁধের ওপর দিয়ে ৬০/৭০ পরিবার চলাচল করেন। বেশ কিছুদিন ধরে ওই বাঁধের ওপর দিয়ে চলাচলে বিভিন্ন সময় বাধা প্রদান করে ৬১ বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)’র তিস্তা ব্যাটালিয়ন-২ ক্যাম্পের সদস্যরা।

বিষয়টি নিয়ে গত রোববার হাতীবান্ধা উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান জেসমিন নাহার ও গড্ডিমারী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ আবু বক্কর সিদ্দিক শ্যামল ওই ক্যাম্পের পরিচালক লে. কর্নেল মির হাসান শাহরিয়া মুহাম্মদের সঙ্গে দেখা করতে যান। কিন্তু তিনি দেখা না করে তাদের ফিরিয়ে দেন।

খবরটি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে সোমবার সকালে স্থানীয় কয়েক শতাধিক লোক ক্যাম্পের কাছে উপস্থিত হয়ে বিক্ষোভ করেন। এতে ওই এলাকায় উত্তেজনা তৈরি হয়। খবর পেয়ে হাতীবান্ধা থানা পুলিশের ওসি এরশাদুল আলম ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে উভয়পক্ষের সঙ্গে কথা বলে সমঝোতায় বসেন। দুপুরে ওই সমঝোতা বৈঠক শেষ হলে ক্যাম্পের পরিচালক লে. কর্নেল মির হাসান শাহরিয়া মুহাম্মদ ও গড্ডিমারী ইউনিয়ন চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ আবু বক্কর সিদ্দিক শ্যামল জানান, এখন থেকে ওই বাঁধের ওপর দিয়ে স্থানীয় লোকজন চলাচল করতে পারবে। তবে বহিরাগতরা চলাচল করে জটলা তৈরি করতে পারবে না।

স্থানীয় ইউপি সদস্য মতিয়ার রহমান জানান, ওই বাঁধের ওপর দিয়ে ৬০/৭০ পরিবার চলাচল করে। তবে কিছুদিন ধরে বিজিবি সদস্যরা চলাচলে বাধা দিচ্ছে। এতে স্থানীয় লোকজনের সমস্যা হচ্ছে।

গড্ডিমারী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ আবু বক্কর সিদ্দিক শ্যামল বলেন, বিষয়টি নিয়ে গতকাল বিজিবির সঙ্গে কথা বলতে চেয়েছিলাম। কিন্তু তারা আমাদের সঙ্গে কথা বলেনি। ফলে আজ স্থানীয় লোকজনের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। পরে স্থানীয় সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোতাহার হোসেনের সঙ্গে কথা বলে ওই বাঁধের ওপর দিয়ে চলাচলে বাধা দেবে না এমন শর্তে সমঝোতা হয়েছে।

৬১ বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)’র তিস্তা ব্যাটালিয়ন-২ ক্যাম্পের পরিচালক লে. কর্নেল মির হাসান শাহরিয়া মুহাম্মদ জানান, ওই বাঁধের ওপর দিয়ে চলাচলে স্থানীয় লোকজনকে বিজিবি কখনও বাধা দেয়নি। করোনাকালীন তাদের চলাচল সংকুচিত করতে অনুরোধের পাশাপাশি স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলাচল করতে বলা হলেই কিছু বহিরাগত লোকজন নানা অজুহাত তৈরি করছেন। আমরা স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে মিলেমিশে এখানে অবস্থান করছি। আজকের এ উত্তেজনা পরিস্থিতি বহিরাগত কিছু লোক সৃষ্টি করেছেন।

হাতীবান্ধা থানা পুলিশের ওসি এরশাদুল আলম এ নিয়ে কোনো কথা বলতে রাজি হয়নি। তিনি বলেন, ওই এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি যাতে অবনতি না হয় সেই দিকে সবাইকে সর্তক থাকতে অনুরোধ করেছি।

পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status