বাঘা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজরুল ইসলাম জানান, আটকের পর তাকে নিয়ে যাওয়া হয় তার নিজ বাড়িতে। সেখানে আবার তল্লাশি চালায় পুলিশ। এ সময় বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য জব্দ করা হয়। পুলিশি হেফাজতে তাকে বিভিন্ন বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
এর আগে, এক পল্লী চিকিৎসককে মারধরের পর তার করা মামলায় ৭ জুলাই পৌর মেয়র মুক্তার আলীর বাড়িতে অভিযান চালায় পুলিশ। এ সময় ওই বাড়ি থেকে চারটি বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্র, নগদ ৯৪ লাখ ৯৮ হাজার টাকা ও ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। তখন পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে মেয়র মুক্তার আলী পালিয়ে যান। সে সময় মেয়রের স্ত্রী ও দুই ভাতিজাকে আটক করে পুলিশ। এরপর থেকে পলাতক ছিলেন মুক্তার আলী।