ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
বুধবার ৬ মে ২০২৬ ২৩ বৈশাখ ১৪৩৩
ইঞ্জেকশনের মাধ্যমে নিজ দেহে করোনাভাইরাস ঢোকাতে চেয়েছিলেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী
নতুন সময় ডেস্ক
প্রকাশ: Thursday, 27 May, 2021, 11:38 AM

ইঞ্জেকশনের মাধ্যমে নিজ দেহে করোনাভাইরাস ঢোকাতে চেয়েছিলেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী

ইঞ্জেকশনের মাধ্যমে নিজ দেহে করোনাভাইরাস ঢোকাতে চেয়েছিলেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী

ক্যামেরার সামনেই নিজের দেহে ইঞ্জেকশনের মাধ্যমে করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) প্রবেশ করাতে চেয়েছিলেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন।

বুধবার ব্রিটিশ পার্লামেন্টে এই অদ্ভুত তথ্য প্রকাশ করলেন বরিস জনসনের একসময়ের শীর্ষস্থানীয় সহযোগী ডমিনিক কামিংস। শুধু তাই নয়, সংসদে দাঁড়িয়ে স্পষ্ট ভাষায় তিনি অভিযোগ করেছেন, ব্রিটেনে যখন করোনাভাইরাসের প্রথম তরঙ্গ আঘাত হেনেছিল, সেইসময় এই মহামারি রোধে বলতে গেলে প্রধানমন্ত্রী জনসন কোনও কাজই করেননি।

কিন্তু, নিজের দেহে কেন করোনাভাইরাস ইনজেক্ট করতে চেয়েছিলেন তিনি? কামিংসের দাবি, শুরুতে করোনা মহামারিকে গুরুত্বই দেননি ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী। তিনি মনে করতেন এটা সোয়াইন ফ্লুর মতোই আরও একটি সাধারণ জ্বর। করোনা সংক্রান্ত বৈঠকে সরকারি কর্মকর্তাদের তিনি তাই-ই বলতেন। সেইসঙ্গে একবার তিনি বলেছিলেন, করোনা নিয়ে চিন্তার কিছু নেই। এমনকি, সকলকে এই বার্তা দিতে জনসন, সরাসরি টিভি সম্প্রচারে ব্রিটিশ চিফ মেডিকেল অফিসার ক্রিস হুইটিকে দিয়ে নিজের শরীরে করোনাভাইরাস ইনজেক্ট করতে অর্থাৎ ইনজেকশনের মাধ্যমে ঢুকিয়ে দিতেও চেয়েছিলেন। করোনার বিপদ নিয়ে এতটাই অবিশ্বাসী ছিলেন তিনি।

কামিংসের মতে, করোনা কতখানি ভয়ংকর, তা বরিস জনসন প্রথম উপলব্ধি করেছিলেন ২০২০ সালের এপ্রিল মাসে। ওই সময় তিনি নিজেই করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন। প্রথমে হোম আইসোলেশনে থাকলেও পরে তাকে আইসিইউতে ভর্তি করতে হয়েছিল। করোনা থেকে সুস্থ হওয়ার পরই তিনি ব্রিটেনে মহামারি রুখতে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে শুরু করেছিলেন। কিন্তু, এর মধ্যে তার অবিশ্বাসের খেসারত দিতে হয়েছিল বহু মানুষকে। করোনায় এখন পর্যন্ত যুক্তরাজ্যে ১ লাখ ২৮ হাজারেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। করোনায় মৃত্যুর নিরিখে বিশ্বে পঞ্চম স্থানে আছে দেশটি।

আর, করোনা মোকাবিলায় ব্যর্থতার অভিযোগ ঘিরে, আমেরিকায় ডোনাল্ড ট্রাম্পের পর দারুণ রাজনৈতিক চাপে পড়েছেন বরিস জনসনও। তার বিরুদ্ধে প্রধান অভিযোগ, ২০২০ সালের গোড়ায় চীন থেকে যখন সারাবিশ্বে করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ছিল, সেইসময় করোনা মহামারি রোধ করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণে বড্ড দেরি করেছিলেন তিনি। এখন প্রাক্তন সহযোগী ফাঁস করলেন, করোনার বিপদ তিনি বুঝতেই পারেননি, বিশ্বাসই করতে চাননি এটা কোনও সাধারণ রোগ নয়।

অথচ এই ডমিনিক কামিংসই ২০১৮ সালে জনসনের হয়ে যুক্তরাজ্যজুড়ে ব্রেক্সিট প্রচার চালিয়েছিলেন। সেই প্রচারই ২০১৯ সালের নির্বাচনে দারুণ জয় এনে দিয়েছিল বরিস জনসনকে। ২০২০ সালের শেষে অবশ্য জনসনের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠতার অবসান ঘটে। সরকারি দায়িত্ব ছেড়ে দেন তিনি। এরপর থেকে কামিংস বারবারই করোনা ঠেকাতে জনসনের নেতৃত্বাধীন ব্রিটিশ সরকারের ব্যর্থতা নিয়ে কথা বলেছেন।

পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status