ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
সোমবার ২৭ এপ্রিল ২০২৬ ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩
মামলা তুলে না নেয়ায় বৃদ্ধকে পেটালেন মেয়র
নতুন সময় প্রতিনিধি
প্রকাশ: Saturday, 12 December, 2020, 6:32 PM

মামলা তুলে না নেয়ায় বৃদ্ধকে পেটালেন মেয়র

মামলা তুলে না নেয়ায় বৃদ্ধকে পেটালেন মেয়র

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা পৌরসভার মেয়র এমরান উদ্দিন ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে মামলা তুলে নিতে এক বৃদ্ধ ও তার পরিবারের সদস্যদের মারধরের অভিযোগ উঠেছে।

শনিবার (১২ ডিসেম্বর) দুপুরে কসবা উপজেলার তিনলাখপীর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

তাদের মারধরে অন্তত পাঁচজন আহত হয়েছেন। এরা হলেন-বৃদ্ধ বাছির মিয়া (৬০), তার স্ত্রী জাহানারা বেগম (৪৮), ছোট ভাই বাচ্চু মিয়া (৫০), বোন আছিয়া বেগম (৭০) ও মেয়ে জোসনা বেগম (৩০)। তাদেরকে জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। এদের মধ্যে বাছির মিয়া ও তার স্ত্রীকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

আহত বাছির মিয়া বলেন, ‘আমার মালিকানাধীন ও সরকারিভাবে লিজ নেয়া জায়গা থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে আখাউড়া-আগরতলা রেলপথ প্রকল্পে সরবরাহ করেন মেয়র এমরান উদ্দিন জুয়েল ও কসবা উপজেলা যুবদল নেতা শরীফুল হক। এ ঘটনায় গত বছরের অক্টোবর মাসে জেলা প্রশাসকের কাছে অভিযোগ দেয়া হয়। অভিযোগ পাওয়ার পর ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে চারটি ড্রেজার মেশিন জব্দ ও এক লাখ টাকা জরিমানা করে কসবা উপজেলা প্রশাসন।’

তিনি আরও বলেন, ‘বালু উত্তোলনের ঘটনায় আমাদের তিন কোটি টাকা ক্ষতি হয়েছে। আমরা ক্ষতিপূরণের দাবি করলে তা দিতে অস্বীকৃতি জানান মেয়র ও যুবদল নেতা। পরে গত বছরের নভেম্বরে মেয়র জুয়েল ও যুবদল নেতা শরীফুলসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে তিন কোটি টাকার ক্ষতিপূরণ মামলা করি আদালতে।’

বাছির মিয়ার ভাই বাচ্চু মিয়া জানান, ‘মামলার পরবর্তী হাজিরার তারিখ ৪ জানুয়ারি। এরমধ্যে পৌরসভার নির্বাচন ঘনিয়ে আসায় মামলা নিয়ে দলীয় মনোনয়ন পেতে বেকায়দায় পড়েছেন মেয়র জুয়েল। শনিবার দুপুরে জুয়েল তার সহযোগীদের নিয়ে তিনলাখপীর এসে মামলা তুলে নিতে চাপ প্রয়োগ করেন। কিন্তু মামলাটি তুলতে অপারগতা প্রকাশ করলে বাছিরকে মারধর শুরু করেন জুয়েল ও তার সহযোগীরা। এ সময় পরিবারের সদস্যরা এগিয়ে এলে তাদেরকেও মারধর করা হয়।’

তবে মারধরের বিষয়টি অস্বীকার করেছেন কসবা পৌরসভার মেয়র এমরান উদ্দিন জুয়েল। তিনি বলেন, ‘মারধরের অভিযোগ ভিত্তিহীন ও বানোয়াট। আমি এ বিষয়ে কিছুই জানি না।’

কসবা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. লোকমান হোসেন বলেন, ‘খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। এ বিষয়ে কেউ লিখত অভিযোগ দিলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

সম্পাদনায়: রেদুয়ান আহম্মেদ রাহাত    

পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status