করোনার প্রভাব আর গত অক্টোবর থেকে দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক মুক্তবাণিজ্য, সাফটা চুক্তির আওতায় ভোজ্যতেল, প্লাস্টিকসহ অন্তত ২০টি পণ্য রফতানি বন্ধ থাকায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া স্থলবন্দরে রপ্তানি বাণিজ্যে ভাটা পড়েছে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নিষিদ্ধ ঘোষিত পণ্য ব্যতীত সব বৈধ পণ্য আমদানির সুযোগ দেওয়া হলে বন্দরটি আবারো চাঙা হয়ে উঠবে।
২০১০ সালে পূর্ণাঙ্গ স্থলবন্দর হিসেবে যাত্রা শুরু করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া আখাউড়া স্থলবন্দর। এরপর থেকে মাছ, শুটকি, পাথর, সিমেন্টসহ প্রতিদিন গড়ে ৪২টি পণ্য রফতানি হতো।
কিন্তু ২০১৭ সালে ভারতের অভ্যন্তরে এক রাজ্য থেকে অন্য রাজ্যে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হওয়ায় বাংলাদেশ থেকে পণ্য আমদানি কমে যায়। ফলে বাংলাদেশের রফতানি বাণিজ্যে ভাটা পড়ে।
এর মধ্যে গত অক্টোবর থেকে সাফটা চুক্তির আওতায় ভোজ্যতেল, প্লাস্টিকসহ অন্তত ২০টি রপ্তানিমুখী পণ্য বন্ধ থাকায় রীতিমত বিপাকে পড়েছেন ব্যবসায়ীরা।
আখাউড়া স্থলবন্দরের সুপারিন্টেনডেন্ট সানাউল ইসলাম জানান, রফতানি বাণিজ্যে ভাটা পড়ায় পণ্যবাহী ট্রাকের সংখ্যা কমেছে।
আখাউড়া স্থল বন্দরের রাজস্ব কর্মকর্তা মীর হোসেনের মতে, আমদানি বৃদ্ধি পেলে বন্দরটি আরো চাঙা হবে।
গত অর্থ বছরে আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে ১ লাখ ৪১ হাজার ৬৪৭ মেট্রিক টন পণ্য রপ্তানি হয়। যা থেকে আয় হয় ৫৪২ কোটি টাকা।