ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
মঙ্গলবার ১২ মে ২০২৬ ২৮ বৈশাখ ১৪৩৩
বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে প্রেমিকার অনশন
নতুন সময় প্রতিনিধি
প্রকাশ: Wednesday, 23 September, 2020, 11:28 PM

বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে প্রেমিকার অনশন

বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে প্রেমিকার অনশন

বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে অনশন করছে প্রেমিকা। এদিকে প্রেমিকার আসার খবর শুনে ঘরে তালা ঝুলিয়ে সপরিবারে উধাও হয়েছে প্রেমিক। গতকাল মঙ্গলবার উপজেলার ভিয়াইল ইউনিয়নের সিটিরমোড় কাশাইপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, একই উপজেলার ইসবপুর ইউনিয়নের কৃষ্ণপুর আখড়াপাড়ার রনজিৎ রায়ের মেয়ে কলেজ পড়ুয়া মেয়ে শিমলা রায়ের (১৭) সঙ্গে গত ৬ মাস থেকে প্রেম চালিয়ে আসছিল রিক রায়। সে ভিয়াইল ইউনিয়ন তালপুকুর গ্রামের সিটিরমোড় কাশাইপাড়ার সত্যেন্দ্র নাথ রায়ের ছেলে। বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ফুসলিয়ে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্ক করে। এতে ওই কিশোরী দুই মাসের অন্তঃসত্ত্বা হলেও কৌশলে সেই সন্তান নষ্ট করে। মাস খানেক আগে স্থানীয় ইউনিয়ন চেয়ারম্যামের মাধ্যমে সালিসে বসলেও বিষয়টি অমীমাংসিত থাকে।

এলাকাবাসী সূত্রে আরও জানা গেছে, বেশ কিছুদিন ধরে মেয়েটি তার প্রেমিককে বিয়ের জন্য চাপ দিতে থাকে। কিন্তু সে তাতে অস্বীকৃতি জানায়। এক পর্যায়ে গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ওই প্রেমিকাকে রিক তার বাড়িতে আসার জন্য বলে। তার কথামতো সে বাড়িতে আসলে রিকের অভিভাবকেরা মেয়েটিকে গালিগালাজ করে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যেতে বলে। কিন্তু সে বিয়ের দাবিতে অনড় থাকে।

আজ বিকেলে ওই বাড়িতে গিয়ে দেখা গেছে, মেয়েটি তার প্রেমিকের তালাবদ্ধ বাড়ির সামনে বসে আছে। বাড়ির লোকজন বাড়িতে তালা মেরে উধাও হয়ে গেছে। ওই মেয়ে দৈনিক আমাদের সময়কে জানায়, প্রায় ছয় মাস আগে ভিয়াইল ইউনিয়নের তালপুকুর কাসাইগ্রামে তার মামা সবুজ রায়ের বিয়েতে এসে পরিচয় হয় ও পরে সম্পর্ক হয় রিক রায়ের সঙ্গে। এরপর বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে রিক রায় তার সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কও গড়ে তুলে। কিন্তু সম্প্রতি তাকে বিয়ে করার প্রস্তাব দিলে সে তাতে অস্বীকৃতি জানায়। রিক রায় যতক্ষণ পর্যন্ত স্ত্রীর মর্যাদা দিয়ে তাকে ঘরে না তুলবে ততক্ষণ পর্যন্ত সে ওই বাড়িতেই অবস্থান করবে।

এ বিষয়ে প্রেমিক রিক রায়ের সঙ্গে মুঠোফোনে বারবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও কথা বলা সম্ভব হয়নি। চিরিরবন্দর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আয়েশা সিদ্দিকা দৈনিক আমাদের সময়কে বলেন, ‘বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করা হচ্ছে।’

সম্পাদনা:  এম আলমগীর

পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status