ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
বুধবার ২০ মে ২০২৬ ৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
সুশান্তের বান্ধবী রিয়ার ভিডিও ফাঁস, সামাজিকমাধ্যমে তোলপাড় (ভিডিও)
নতুন সময় ডেস্ক
প্রকাশ: Friday, 31 July, 2020, 6:59 PM

সুশান্তের বান্ধবী রিয়ার ভিডিও ফাঁস, সামাজিকমাধ্যমে তোলপাড় (ভিডিও)

সুশান্তের বান্ধবী রিয়ার ভিডিও ফাঁস, সামাজিকমাধ্যমে তোলপাড় (ভিডিও)

বলিউড তারকা সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যু তদন্ত নিয়ে সামাজিকমাধ্যমে চলছে ঝড়। এই ঝড়ই এবার নতুন মোড় নিয়েছে। সুশান্তের প্রেমিকা রিয়া চক্রবর্তীকে নিয়ে যখন চারদিকে সমালোচনার ঝড় চলছে, তখনই রিয়ার একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর আগুনে নতুন করে ঘি পড়েছে।

রিয়ার ভাইরাল হওয়া চার মিনিটে ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে তিনি বলছেন, আমি গুন্ডামি করি না, গুন্ডামি করাই। তিনি সেখানে গুন্ডা ডন এই শব্দগুলোও ব্যবহার করেছেন। ভিডিওটি সুশান্তের বোনও ইন্সটাগ্রামে পোস্ট করেন।

ভিডিওতে রিয়া বলেন, আমিই বড় ডন। আমি জানি কীভাবে এইসব মাস্তানদের ‘ম্যানিউপুলেট’ করতে হয়। আমার বয়ফ্রেন্ড (রাজপুত) ভাবে যে সে গ্যাংস্টার। কিন্তু সে এটা জানে না, আমিই আসল ডন। আমি অন্য আরো বড় মাস্তানদের গ্রুপের সঙ্গে জড়িত। তবে আমি কখনোই হাত নোংরা করি না। আমি অন্যদের দিয়ে কাজ করাই। এমনকি আমি একটা প্রযোজকের কাছ থেকেও মাসোহারা নিতে পারি। তারা ভাবে তারা ডন, কিন্তু বাস্তবে তারা এক জন ডনের কর্মচারী মাত্র।

এদিকে রিয়ার বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ এনেছেন সুশান্তের ফিটনেস ট্রেনার। সুশান্তের ফিটনেসের বিষয় দেখভাল করতেন ট্রেনার সমীর আহমেদ। একটি ভারতীয় টেলিভিশনের সাংবাদিক পরিচয় গোপন করে সমীর আহমেদের সঙ্গে কথা বলেছেন। সেই কথোপকথনে সমীর রিয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগ এনেছেন। রিয়া সুশান্তকে কী ওষুধ খাওয়াতো তা নিয়ে প্রশ্ন সমীরের।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দাবাজার পত্রিকা শুক্রবার (৩১ জুলাই) বিষয়টি একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। সংবাদমাধ্যমটির প্রতিবেদনে প্রকাশিত তথ্যে বলা হয়েছে, গত পাঁচ বছর সমীরের তত্ত্বাবধানে শরীরচর্চা করেছেন সুশান্ত। পেশাদার সম্পর্কের বাইরে তিনি সুশান্তের ঘনিষ্ঠ বন্ধুও ছিলেন। তাঁর দাবি, সুশান্ত কী ওষুধ খাবেন, সেটা সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ করতেন রিয়া।

সমীরের প্রশ্ন, ওষুধ দেওয়ার আগে কি চিকিৎসক সুশান্তের সঙ্গে কথা বলেছিলেন? মানসিক অবসাদের চিকিৎসার ক্ষেত্রে চিকিৎসক-রোগী কাউন্সেলিং বিশেষ প্রয়োজন। সেটা কি সুশান্তের বেলায় হয়েছিল?

সমীরের দাবি, তার ক্লায়েন্ট কী ওষুধ খাচ্ছেন, সেটা একজন ফিটনেস ট্রেনারের জানাটা খুবই জরুরি। সেভাবেই তিনি ফিটনেস রুটিন ঠিক করেন। কিন্তু সুশান্তকে কী ওষুধ খাওয়ানো হতো সে বিষয়ে সমীরও কিছুই জানতেন না। বিষয়টি পুরোটাই নিয়ন্ত্রণ করতেন রিয়া। একমাত্র রিয়াই জানতেন সুশান্তকে কী ওষুধ খাওয়ানো হচ্ছে।

সুশান্তের বাবার অভিযোগ, সুশান্ত আগে যে বাড়িতে থাকতেন সেখানে ভূত আছে বলে সেই বাড়ি ছাড়তে বাধ্য করেছিলেন রিয়া। সুশান্তের ‘মানসিক অবসাদ’-এর চিকিৎসাও করতেন রিয়ার পরিচিত চিকিৎসক। 


সম্পাদনা: এম আলমগীর

পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status