ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
বৃহস্পতিবার ২৮ মে ২০২৬ ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
করোনায় যে কারণে অর্ধেক কমে গেছে পৃথিবীর কম্পন!
নতুন সময় ডেস্ক
প্রকাশ: Sunday, 26 July, 2020, 10:57 AM

করোনায় যে কারণে অর্ধেক কমে গেছে পৃথিবীর কম্পন!

করোনায় যে কারণে অর্ধেক কমে গেছে পৃথিবীর কম্পন!

প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে নাকাল গোটা বিশ্ব। এই ভাইরাসের তাণ্ডবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে আমেরিকা, বিটেন, ইতালি, স্পেন, ফ্রান্স ও ব্রাজিলের মতো।  বিশ্বজুড়েই ধ্বংসযজ্ঞ চালাচ্ছে এই ভাইরাস।

করোনাভাইরাস মহামারীর কারণে বিশ্বজুড়ে শত শত কোটি মানুষ এখনও ঘরবন্দি। এক সময়ের জনাকীর্ণ রাস্তা এখন খালি। রেল বন্ধ, চলছে না গাড়িঘোড়াও। লাখ লাখ ভারী শিল্প-কারখানা এখন বন্ধ। মাইলের পর মাইল রাস্তায় হাতেগোনা কিছু মানুষ পাওয়া যায়। করোনাভাইরাস রুখতে বিশ্বজুড়ে এই লকডাউনের ফলে পৃথিবীর গতিবিধিও বদলে গেছে।
গবেষকদের একটি দল বলছে, মানবসৃষ্ট ভূকম্পন বিশ্বজুড়ে ৫০ শতাংশ কমে গেছে। প্রাকৃতিক উৎস থেকে বিজ্ঞানীরা এখন পরিষ্কারভাবেই সিসমিক সিগন্যাল শুনতে পাচ্ছেন। এসব প্রাকৃতিক উৎসের মধ্যে রয়েছে ছোট ভূকম্পন ও আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত। খবর সিএনএন'র।

পৃথিবীর কাঁপুনি যে কমে গেছে তা প্রথম লক্ষ্য করেন বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে অবস্থিত রয়্যাল অবজারভেটরির বিজ্ঞানী টমাস লিকক। অর্থাৎ গাড়িঘোড়া, রেল, বাস ও মানুষের দৈনন্দিন জীবনের চলাচলের কম্পন আগের থেকে অনেক কম প্রত্যক্ষ করেন তিনি। তিনি বলেন, ‘লকডাউনের আগের তুলনায় ১-২০ হার্টস ফ্রিকোয়েন্সিতে (বড় একটি অর্গানের আওয়াজের যে ফ্রিকোয়েন্সি) ভূপৃষ্ঠের দুলুনি এখন অনেক কম।’ ব্রাসেলসের পযবেক্ষণ মতে, মার্চ মাসের মাঝামাঝি সময় থেকে পৃথিবীর কম্পন ৩০ থেকে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত কমে যেতে দেখা যায়।

শুধু বেলজিয়াম নয়, পৃথিবীপৃষ্ঠের এই পরিবর্তন সারাবিশ্বের বিভিন্ন জায়গায় ভূকম্পন কমার বিষয়টি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। ২৬৮টি সিসমিক স্টেশন থেকে এই তথ্য গ্রহণ করা হয়েছে। সাধারণত মানবসৃষ্ট কম্পনের জন্য প্রাকৃতিক কম্পন রেকর্ড করতে পারে না এই স্টেশনগুলো।

প্যারিস ইন্সটিটিউট অব আর্থ ফিজিক্সের একজন গবেষক বলেছেন, ফ্রান্সের রাজধানীতে ভূকম্পন ‘নাটকীয় মাত্রায়’ কমে গেছে। যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেস শহরে কাঁপুনি কমে যাওয়ার মাত্রা দেখে বিস্মিত হয়েছেন ক্যাল টেক ইউনিভার্সিটির গবেষকরা। নেপালের ভূকম্পবিদরাও একই প্রবণতা লক্ষ্য করেছেন।

মার্চ ও এপ্রিলে ইউরোপসহ পুরো বিশ্ব শান্ত হতে শুরু করে। সে সময় থেকেই মানুষ ’স্টে হোম’ নির্দেশনা মানতে শুরু করেছিল বলে মনে করছেন বিজ্ঞানীরা। অনেক স্থানে লকডাউন তুলে নেয়ার পরও এই কম্পন খুব একটা বাড়েনি। তাই অনেকে মনে করছেন, মানুষ এখনও বাড়ির বাইরে যেতে সাহস পাচ্ছে না। লকডাউনে যে ভূকম্পন কমেছে তাই নয়, প্রকৃতিও বদলে গেছে। স্যাটেলাইটের চিত্রে দেখা গেছে, পরিবেশ দূষণের পেছনে যার বড় ভূমিকা রয়েছে সেই নাইট্রোজেন ডাই-অক্সাইড গ্যাস এখন বাতাসে অনেক কম।

সম্পাদনা: মোঃ রাসেল আহমেদ 

পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status