ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
রোববার ৭ জুন ২০২৬ ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
করোনা আতঙ্কে ঢুকতে দেয়নি কেউ, তিন মাস সমুদ্রেই কাটালেন
নতুন সময় ডেস্ক
প্রকাশ: Wednesday, 6 May, 2020, 10:47 PM

করোনা আতঙ্কে ঢুকতে দেয়নি কেউ, তিন মাস সমুদ্রেই কাটালেন

করোনা আতঙ্কে ঢুকতে দেয়নি কেউ, তিন মাস সমুদ্রেই কাটালেন

করোনা আতঙ্কে কাঁপছে সারা বিশ্ব। বিশ্বের প্রায় সব দেশেই ছড়িয়ে পড়েছে এই মারণ ভাইরাস। ফলে করোনা ঠেকাতে এখন সব দেশই তাদের সীমান্ত বন্ধ করে দিযেছে। কাউকেই প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না।

সড়ক, আকাশ বা জলপথ যাইহোক না কেন; সবই প্রায় বন্ধ। যার কারণে চরম কষ্ট সহ্য করেও তিন মাস ধরে একা সমুদ্রের বুকে ঘুরে বেড়াতে হলো সিঙ্গাপুরের এক নাগরিককে। এর মধ্যে যে দেশেই প্রবেশের চেষ্টা করেছেন তারাই তাকে ফিরিয়ে দিয়েছে। ফলে সেই সমুদ্রেই কাটাতে হয়েছে দিনরাত। দিশাহীন অবস্থায় নৌকা নিয়ে কোনোক্রমে বেঁচে থাকতে হয়েছে তাকে।

গত ২ ফেব্রুয়ারি সিঙ্গাপুরের বাসিন্দা ৫৯ বছরের অং তেচুং তার ২ ইন্দোনেশিয়ান বন্ধুকে সঙ্গী করে প্রশান্ত মহাসাগরে ভ্রমণে বের হন একটি পালতোলা নৌকায়। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ওই ২ ইন্দোনেশিয়ান জানতে পারেন করোনার কারণে তাদের দেশের সীমান্ত সিল হতে চলেছে। তাই তারা আর ঝুঁকি না নিয়ে দেশে ফেরেন। মাঝপথ থেকেই ২ জন ফিরে যাওয়ায় একা হয়ে পড়েন তেচুং। তিনি এরপর নিজেও স্থির করেন ফিরে যাবেন। কিন্তু তা আর সম্ভব হয়নি।

ভাসতে ভাসতে তিনি পৌঁছে যান প্রশান্ত মহাসাগরের ওপর অবস্থিত দ্বীপরাষ্ট্রগুলোর কাছে। এর মধ্যেই অনেকগুলো দিন কেটেছে। নৌকায় থাকা খাবারও প্রায় ফুরিয়েছে। পানীয় জলও নেই বললেই চলে। এমন অবস্থায় তেচুং প্রথমে পাপুয়া নিউগিনিতে প্রবেশের চেষ্টা করেন। কিন্তু তারা জানিয়ে দেয় করোনার কারণে কাউকে প্রবেশ করতে দেবে না। ফিরতে হয় তেচুংকে। এরপর হাজির হন সলোমন দ্বীপে। সেখানেও একই ঘটনা ঘটে তার সঙ্গে। তুভালুতে ঢুকতে গেলেও একই বাধা পেতে হয় তাকে। তবে সেখান থেকে তাকে কিছু খাবার আর পানি দিয়ে ফেরানো হয়।

আসীম সমুদ্রে ভাসতে থাকেন তেচুং। এরপর তিনি স্থির করেন ফিজির কাছে যাবেন। ৬ দিন, ৬ রাত নৌকা বেয়ে ফিজির জলসীমায় পৌঁছন তিনি। এটা ছিল গত ২৮ এপ্রিল। সেখানে প্রবেশাধিকার চাইলেও তখনই অনুমতি মেলেনি। তাই ফিজির জলসীমাতেই ভাসতে থাকেন তিনি। ২ দিন পর তাকে সেখান থেকে উদ্ধার করে ফিজির উপকূলরক্ষী বাহিনী।

দেশটির ভুডা বন্দরে নিয়ে আসা হয় তাকে। সেখানে তার যাবতীয় ডাক্তারি পরীক্ষা হয়। পরে আশ্রয় দেওয়া হয় তাকে। তেচুংকে আশ্রয় দেওয়ায় ফিজিকে ধন্যবাদ জানিয়েছে সিঙ্গাপুর সরকার।

পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status