ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
বৃহস্পতিবার ৩০ এপ্রিল ২০২৬ ১৭ বৈশাখ ১৪৩৩
লকডাউনের পরের ছক তৈরি রাখুন: মুখ্যমন্ত্রীদের প্রতি মোদি
নতুন সময় ডেস্ক
প্রকাশ: Friday, 3 April, 2020, 10:59 AM

লকডাউনের পরের ছক তৈরি রাখুন: মুখ্যমন্ত্রীদের প্রতি মোদি

লকডাউনের পরের ছক তৈরি রাখুন: মুখ্যমন্ত্রীদের প্রতি মোদি

ভারতে ১৪ এপ্রিলের পর লকডাউনের সময়সীমা আরও বাড়ছে বলে গুজব ছড়িয়েছিল। কিন্তু সরকার সেই গুজব উড়িয়ে দেয়।

বৃহস্পতিবার মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সেও তেমনই ইঙ্গিতই দিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

তিনি লকডাউনের পরের পরস্থিতি মোকাবেলার জন্য কেন্দ্র ও রাজ্যগুলোকে একমুখী সুনির্দিষ্ট ছক তৈরি রাখার আহ্বান জানান।

ফের যাতে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ছড়িয়ে না পড়ে তার জন্য ‘যুদ্ধকালীন তৎপরতা’য় কাজ করতেও বলেন তিনি। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় অনুদান বাড়ানোর আর্জি জানালেও তাতে কর্ণপাত করা হয়নি বলে অভিযোগ করেন কয়েকজন মুখ্যমন্ত্রী।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রুখতে ২৪ মার্চ সারা দেশে তিন সপ্তাহের লকডাউন ঘোষণা করেছিলেন মোদি। এরমধ্যে এক সপ্তাহ পার হয়েছে।

এখনও সংক্রমণ বাড়ছে। এ কারণে সারা দেশে উদ্বেগ ছড়িয়েছে যে, লকডাউনের মেয়াদ আরও বাড়তে পারে। এমন পরিস্থিতিতে বৃহস্পতিবার মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে ভিডিও-বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

বৈঠকে যোগ দিয়েছেন ৯ জন মুখ্যমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রী ছাড়াও বৈঠকে ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংহসহ কেন্দ্রের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর শীর্ষ আমলারা। তবে সেখানেও নির্দিষ্ট দূরত্ব বজায় রেখেই হয়েছে বৈঠক।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ দেশে ছড়িয়ে পড়ার পর এ নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে দ্বিতীয়বার বৈঠক করলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী।

এ দিনের বৈঠকে মোদি মুখ্যমন্ত্রীদের বলেছেন, লকডাউনের পরে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ যাতে ফের ছড়িয়ে না পড়ে তার জন্য কেন্দ্র ও রাজ্যের সমন্বয়ের মাধ্যমে একটি যৌথ পরিকল্পনা তৈরি করা জরুরি। বৈঠক সূত্রে খবর।

মোদি বলেছেন, লকডাউন উঠে যাওয়ার পরেই আগেকার মতো সব কিছু গতানুগতিক চলতে শুরু করল এমনটা হতে দেয়া যায় না। বরং তারপরেও কিছু নিয়ন্ত্রণ বা সতর্কতা নিতে হবে।

লকডাউনের কারণে ভারতের প্রায় সব রাজ্যেই রসদ, ওষুধের মতো নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রীতে টান পড়েছে। সে বিষয়টি নিয়ে রোববার ‘মন কি বাত’ অনুষ্ঠানে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন মোদি। দেশবাসীকে সমস্যায় ফেলার জন্য ক্ষমা চেয়ে বলেছিলেন, করোনাভাইরাসের সংক্রমণ শৃঙ্খল ভাঙার জন্য এ ছাড়া আর বিকল্প কোনো পথ নেই।

বৃহস্পতিবার দুপুর পর্যন্ত দেশটিতে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় ২০০০। প্রতিদিন লাফিয়ে বাড়ার অন্যতম কারণ হিসেবে উঠে আসছে দিল্লির নিজামউদ্দিন মসজিদের জামাত। মৃতের সংখ্যা ৫০। ওই জামাতে যোগ দেয়া হাজার দু’য়েক মানুষ ছড়িয়ে পড়েছেন দেশের বিভিন্ন প্রান্তে। তাদের চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ আগেই দিয়েছিল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। বৃহস্পতিবারের বৈঠকেও এ বিষয়টি আলোচনায় উঠে আসে।

পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status