শিল্পীদের ব্যাপক উপস্থিতি ও উৎসবমুখর পরিবেশে চলছে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন কর্পোরেশনে (বিএফডিসি) শিল্পী সমিতির ২০১৯-২১ মেয়াদের দ্বিবার্ষিক নির্বাচন।
এখন পর্যন্ত নির্বাচন নিয়ে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার দেখা মেলেনি। প্রার্থীদের কেউ নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করেননি।
সব প্যানেলের সদস্যসহ ভোটাররা এফডিসির নির্বাচনী পরিবেশ দেখে বেশ সন্তুষ্ট।
ভোট দিতে এসে এ সন্তুষ্টির কথা জানিয়েছেন চিত্রনায়ক ফেরদৌসও। পাশাপাশি নিজের ভালো লাগার কথাও ব্যক্ত করেছেন।
এক প্রতিক্রিয়ায় ফেরদৌস বলেন, ‘এফডিসির মধ্যে বাইরের লোকের আনাগোনার কারণে শিল্পীরা নির্বিঘ্নে চলাফেরা করতে পারে না। এ ছাড়াও নানা ধরনের হয়রানির শিকার হন। কিন্তু আজ এফডিসিতে এসে যে পরিবেশ দেখলাম সত্যিই অবিস্মরণীয়। এফডিসিতে এত সুন্দর পরিবেশ এর আগে দেখিনি। আমার মনে হয়, এমন পরিবেশ সবসময় থাকা উচিত।’
তিনি বলেন, শিল্পীদের পদচারণায় এফডিসি এভাবেই উৎসবমুখর হয়ে থাকুক, ভ্রাতৃত্ব বন্ধন বাড়ুক। এ প্রত্যাশাই রাখি।
তিনি আরও বলেন, যেই জয়লাভ করুক, শিল্পী ও সমিতির জন্য কাজ করবে এমন আশা রাখি।
বিএফডিসিতে উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটগ্রহণের প্রায় ৫ ঘণ্টা শেষ হয়েছে। সকাল ৯টার পর পরই গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টিতে ভোট দিতে দেখা গেছে অনেককে।
ভোট শুরু হওয়ার পর প্রথমেই ভোট দেন চিত্রনায়ক ইলিয়াস কাঞ্চন। তিনি প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। বেলা যত গড়াচ্ছে তারকা ভোটারদের উপস্থিতি তত বাড়ছে।
ভোট দিয়েছেন সভাপতি পদে লড়াইয়ের দুই প্রার্থী চিত্রনায়িকা মৌসুমী ও মিশা সওদাগর।
ভোট দিয়ে ফেরার পথে নির্বাচনী পরিবেশ সম্পর্কে জানতে মৌসুমীকে ঘিরে ধরেন সাংবাদিকরা।
সুষ্ঠু ও উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট হচ্ছে কিনা এমন প্রশ্নে প্রার্থী মৌসুমী বলেন, ‘চমৎকার আবহাওয়া। ভোটগ্রহণ কেন্দ্র করে নিরাপত্তাব্যবস্থা বেশ জোরদার। বলতে গেলে অসাধারণ পরিবেশ। কোনে হইচই নেই। ভোটগ্রহণ সুষ্ঠু হচ্ছে বলেই মনে হচ্ছে। অপ্রীতিকর কোনো ঘটনা চোখে পড়েনি এখন পর্যন্ত।
এসব মন্তব্য শেষে মৌসুমীকে বেশ খুশি দেখা গেল।
তিনি আরও বলেন, ‘প্রশাসনিক দিক থেকে আমরা প্রচণ্ড হেল্প পাচ্ছি। বিশাল একটা আয়োজন। সব কিছু মিলে ভালো লাগছে আমার। এমন নির্বাচন চললে জয় প্রত্যাশা করি।’