|
খুলনা দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে ফণীর অগ্রভাগ
নতুন সময় ডেস্ক
|
![]() খুলনা দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে ফণীর অগ্রভাগ তবে আশার কথা শুনিয়েছে ঢাকার আবহাওয়া অফিস। তাদের ভাষ্যে, ভারতের উড়িষ্যা প্রদেশে যে শক্তিমত্তা নিয়ে ফণী আঘাত হেনেছে, বাংলাদেশ অবধি আসা পর্যন্ত তার সেই তেজ থাকবে না। পশ্চিমবঙ্গের ওপর দিয়ে বাংলাদেশে আসা পর্যন্ত ফণী অনেকটাই দুর্বল হয়ে পড়বে। তারপরও সম্ভাব্য ক্ষতি মোকাবেলায় সরকারের পক্ষ থেকে উপকূলীয় অঞ্চলে ব্যাপক প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। কেন্দ্রীয়ভাবে সচিবালয়ে নিয়ন্ত্রণ কক্ষ খোলা হয়েছে। ইতোমধ্যে উপকূলের ৪ লাখের বেশি বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেয়া হয়েছে। এর মধ্যে শুধুমাত্র সুন্দরবন সংলগ্ন খুলনার উপকূলবর্তী চার উপজেলা থেকে ১ লাখ ১১ হাজার পরিবারকে আশ্রয়কেন্দ্রে নেয়া হয়েছে। শুক্রবার রাতে আবহাওয়া অফিসের ঘূর্ণিঝড় সতর্কতার ৩৯ নম্বর বিবৃতিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, ভারতের উড়িষ্যা উপকূল ও তৎসংলগ্ন উপকূলীয় উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থানরত অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় ফণী আরও উত্তর, উত্তর-পূর্বে অগ্রসর এবং কিছুটা দুর্বল হয়ে অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় আকারে একই এলাকায় অবস্থান করছে। ঘূর্ণিঝড়টি শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টায় মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ৪১০ কিলোমিটার (বেলা ৩টায় ছিল ৪৪৫ কিমি) দক্ষিণ-পশ্চিমে, পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ৪৭৫ কিলোমিটার (৪৯৫ কিমি) দক্ষিণ-পশ্চিমে, কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ৬৫০ কিলোমিটার (৬৬০কিমি) পশ্চিমে পশ্চিমে অবস্থান করছে।
|
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
