|
জিম্বাবুয়েকে গুঁড়িয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজের চ্যাম্পিয়ন আফগানিস্তান
নতুন সময় ডেস্ক
|
![]() জিম্বাবুয়েকে গুঁড়িয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজের চ্যাম্পিয়ন আফগানিস্তান ফজলহক ফারুকি ও আজমতউল্লাহ ওমরজাই আগুন ঝরান। তাতে আফগানরা এগিয়ে যায়। পাওয়ারপ্লে শেষের আগেই ৩ উইকেট খুইয়ে বসে জিম্বাবুয়ে। পাওয়ারপ্লে শেষে বিলাল সামি অভিজ্ঞ ব্রেন্ডন টেলরকে আউট করেন। ৫৬ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে জিম্বাবুয়ে আরও চাপে পড়ে। তবু রাজা ও বার্ল ৬০ রানের জুটি গড়েন। ২৭তম ওভারে সেই জুটি ভাঙে। মোহাম্মদ নবীর বলে বার্ল ক্যাচ দেন বিলালের হাতে। এরপর জিম্বাবুয়ের লেজ গুটিয়ে যেতে সময় লাগেনি। নবী ও রশিদ খান মিলে গুঁড়িয়ে দেন জিম্বাবুয়ের টেইল এন্ড। বোলারদের মধ্যে সেরা ছিলেন রশিদ। তিনি ৪১ রানে ৩ উইকেট নেন। বিলাল ২৭ রানে ২ উইকেট নেন। ফারুকি ৪১ রানে ২ এবং নবী ২৫ রানে ২ উইকেট নেন। জয়ের লক্ষ্য ছিল ১৭০ রান। শুরুতে ঝড় তোলেন ইব্রাহিম জাদরান। তাকে সঙ্গ দেন রহমানুল্লাহ গুরবাজ। তিনি খোলা হাতে ব্যাট চালিয়ে দলকে জয়ের দিকে নিয়ে যান। দশম ওভারে গুরবাজ আউট হন। তখন আফগানদের রান ৬৮। ১১ থেকে ২০ ওভারে জিম্বাবুয়ের বোলিং ছিল অনেক শৃঙ্খলাবদ্ধ। এই সময়ে তারা সেদিকউল্লাহ আতালকে তুলে নেয়। আতাল ৬ রান করেন। এই ১০ ওভারে রান ওঠে মাত্র ৩০। তবে প্রয়োজনীয় রানের হার ছিল প্রায় দুইয়ের কাছাকাছি। তাই আফগান ব্যাটারদের তাড়া ছিল না। তারা সাবধানে খেলে লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে যান। অধিনায়ক রহমত শাহ জাদরানকে সঙ্গ দেন। ২৭তম ওভারে সিকান্দার রাজাকে দুটি বাউন্ডারি মেরে তারা আবার গতি বাড়ান। শেষ পর্যন্ত ওয়েসলি মাধেভেরে রহমতকে আউট করেন। রহমত ৪৩ রান করেন। তবু ৩৫তম ওভারেই আফগানিস্তান জয় নিশ্চিত করে। জাদরান অপরাজিত থাকেন ৭০ রানে। সিরিজের প্রথম ম্যাচে জিম্বাবুয়ে জিতেছিল। তারা বাংলাদেশকে ৯৯ রানে হারায়। সেই জয়ে বড় ভূমিকা ছিল ক্রেইগ আরভিনের ৯৩ ও ব্রেন্ডন টেলরের ৮১ রানের ইনিংসের। এরপর পরপর দুই ম্যাচে আফগানিস্তান নিজেদের শক্তি দেখায়। তারা জিম্বাবুয়েকে ১৫৮ রানে হারায়। বাংলাদেশকে হারায় সাত উইকেটে। এই দুই জয়েই ফাইনাল নিশ্চিত হয়। দুই ম্যাচে রশিদ খান নেন মোট আট উইকেট। এবার আফগানিস্তান আবার জিম্বাবুয়ের মুখোমুখি হবে। প্রথমে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ। এরপর দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ। সব ম্যাচই হবে শারজায়। |
| « পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ » |
