|
পুনর্গঠিত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের দুই বছর পূর্তি
২৬ মামলায় শেখ হাসিনাসহ ৩২৮ আসামির বিচার চলছে
নতুন সময় প্রতিবেদক
|
![]() ২৬ মামলায় শেখ হাসিনাসহ ৩২৮ আসামির বিচার চলছে এছাড়া দুটি ট্রাইব্যুনালের অধীনে দায়েরকৃত ৪৪টি মামলা রয়েছে তদন্তাধীন। বিচারাধীন ও তদন্তাধীন এসব মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ মোট আসামি রয়েছেন ৪৮৮ জন। এদের মধ্যে গ্রেফতার হয়ে কারাগারে আছেন ১৮৩ জন। পলাতক রয়েছেন ৩৫২ জন। পলাতকদের মধ্যে ৪৮ জন দণ্ডপ্রাপ্ত। এদিকে দুটি ট্রাইব্যুনালে মানবতাবিরোধী অপরাধের ঘটনায় করা মামলাগুলোর মধ্যে সাতটি মামলার রায় হয়েছে। তিনটি মামলায় রায় দিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১। আর চারটি মামলায় রায় দিয়েছে ট্রাইব্যুনাল-২। দুটি ট্রাইব্যুনালের রায়ে শেখ হাসিনাসহ ২৩ আসামিকে সর্বোচ্চ শাস্তি দেওয়া হয়েছে। ৩৯ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়েছে ট্রাইব্যুনাল। বুধবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের দুই বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে চিফ প্রসিকিউটরের কার্যালয় থেকে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়। তথ্য প্রকাশের পর এক সংবাদ সম্মেলনে প্রসিকিউটর গাজী এম এইচ তামীম বলেন, ২০২৪ সালে সরকার পরিবর্তনের পর ট্রাইব্যুনালগুলোর অবকাঠামো ও কার্যক্রম নতুন করে গড়ে তুলতে হয়েছে। এ কারণে তদন্ত ও বিচারকাজে কিছুটা সময় লেগেছে। তবে একটি মামলার বিচার শেষ করতে গড়ে সাত থেকে আট মাস সময় লাগে। তদন্তের সময়কাল মামলাভেদে ভিন্ন হয়। এছাড়া গ্রেফতার কয়েক জন সাবেক মন্ত্রী ও উপদেষ্টার বিরুদ্ধে করা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন পেয়েছে প্রসিকিউশন। এসব ব্যক্তির বিরুদ্ধে এখনো আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করা হয়নি। অভিযোগ প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। চিফ প্রসিকিউটরের অনুমোদন পাওয়ার পর তা দাখিল করা হবে। তিনি বলেন, প্রসিকিউশন আইনে নির্ধারিত সময় ও প্রক্রিয়া অনুসরণ করে কাজ করছে। উভয় পক্ষকে নিজেদের বক্তব্য উপস্থাপনের সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া রাজনৈতিক দল হিসেবে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়েছে। তদন্তকারীরা দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে তথ্য সংগ্রহ ও পর্যালোচনা করছেন। তবে এ তদন্ত শেষ করতে কত সময় লাগতে পারে, তা এখনই বলা কঠিন বলে জানান তিনি। প্রসিকিউটর তামীম বলেন, মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে সাবেক মন্ত্রী কামরুল ইসলাম, রাশেদ খান মেনন, আনিসুল হকসহ কয়েকটি আলোচিত মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ হতে পারে। মামলাগুলোর কার্যক্রমের অগ্রগতিতে প্রসিকিউশন সন্তুষ্ট। সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হলে আসামিপক্ষের সাক্ষ্যগ্রহণ ও যুক্তিতর্ক হবে। এরপরের কার্যতালিকা নির্ধারণ করবে ট্রাইব্যুনাল। |
| « পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ » |
