|
বায়োপিকে টম হল্যান্ডের সঙ্গে সাবরিনা ও কোয়ালি
নতুন সময় ডেস্ক
|
![]() বায়োপিকে টম হল্যান্ডের সঙ্গে সাবরিনা ও কোয়ালি হলিউডের ইতিহাসে ফ্রেড অ্যাস্টেয়ার ও জিঞ্জার রজার্স জুটি রুপালি পর্দায় নাচের ধারা পুরোপুরি বদলে দিয়েছিলেন। ১৯৩৩ সালে ফ্লাইং ডাউন টু রিও সিনেমার মাধ্যমে তাঁদের যুগলবন্দী শুরু হয়। ১৯৩৩ থেকে ১৯৩৯ সালের মধ্যে তাঁরা একসঙ্গে ৯টি সিনেমায় কাজ করেন। পরবর্তী সময়ে ১৯৪৯ সালে দ্য বার্কলেস অব ব্রডওয়ে’ সিনেমায় আবারও পর্দায় ফেরেন তাঁরা। কৈশোরে ডিজনি চ্যানেলের বিভিন্ন সিরিজ দিয়ে পরিচিতি পাওয়া সাবরিনা পরবর্তী সময়ে নেটফ্লিক্সের বেশ কিছু সিনেমায় অভিনয় করেন। সাম্প্রতিক সময়ে পপগানের দুনিয়ায় ঝড় তুলেছেন তিনি। সাবরিনার গান ও মিউজিক ভিডিওতে ওল্ড-হলিউড গ্ল্যামার ও রেট্রো স্টাইলের ছোঁয়া সব সময়ই নজর কাড়ে। ফলে জিঞ্জার রজার্সের মতো ঐতিহাসিক চরিত্রের জন্য তাঁকে বেছে নেওয়া উপযুক্ত বলে মনে করছেন চলচ্চিত্রপ্রেমীরা। অন্যদিকে এই বায়োপিকের মাধ্যমে শিকড়ে ফিরছেন টম হল্যান্ড। নৃত্যশিল্পী হিসেবেই শুরু হয়েছিল তাঁর অভিনয়জীবন। ২০০৮ থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত লন্ডনের ভিক্টোরিয়া প্যালেস থিয়েটারে বিখ্যাত বিলি এলিয়ট নাটকে নামভূমিকায় দুর্দান্ত নাচ পরিবেশন করে থিয়েটারপাড়ায় ব্যাপক প্রশংসা কুড়ান তিনি, যা পরবর্তী সময়ে তাঁকে বড় পর্দায় পৌঁছে দেওয়ার পথ তৈরি করে দেয়। এ বায়োপিকের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র অ্যাডেল অ্যাস্টেয়ার, যিনি ফ্রেড অ্যাস্টেয়ারের বড় বোন ও ক্যারিয়ারের প্রথম নৃত্যসঙ্গী। অ্যাডেলের ভূমিকায় অভিনয় করছেন মার্গারেট কোয়ালি। সিনেমাটি পরিচালনা করছেন প্যাডিংটন ও ওয়াঙ্কা খ্যাত ব্রিটিশ নির্মাতা পল কিং। তিনি বলেন, রুপালি পর্দায় নাচকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছিলেন ফ্রেড। বিশেষ করে জিঞ্জার রজার্সের সঙ্গে তাঁর কাজগুলো অবিস্মরণীয়। কিন্তু অ্যাডেলের কোনো ভিডিও সংরক্ষিত না থাকায় তাঁর ইতিহাস প্রায় হারিয়েই গেছে। বিংশ শতাব্দীর এই তিন কিংবদন্তিকে পর্দায় পুনরুজ্জীবিত করার কঠিন চ্যালেঞ্জ টম হল্যান্ড, মার্গারেট কোয়ালি ও সাবরিনা কার্পেন্টারকে ছাড়া কল্পনাও করা যেত না। প্রায় পাঁচ বছর আগে এ বায়োপিকের ঘোষণা এসেছিল। অবশেষে তারকাখচিত অভিনয়শিল্পীদের নিয়ে শুটিং ফ্লোরে গড়াতে যাচ্ছে সিনেমাটি।
|
| « পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ » |
