ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
মঙ্গলবার ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩
কৃতির পর পোশাক বিতর্কে দিশা
নতুন সময় ডেস্ক
প্রকাশ: Tuesday, 15 September, 2026, 7:18 PM

কৃতির পর পোশাক বিতর্কে দিশা

কৃতির পর পোশাক বিতর্কে দিশা

গণেশ চতুর্থী উপলক্ষে আম্বানি পরিবারের আয়োজনে হাজির হয়েছিলেন বলিউড অভিনেত্রী দিশা পাটানি। পরনে ছিল লাল লেহেঙ্গা, সঙ্গে একই রঙের ব্লাউজ ও এক কাঁধে জড়ানো ওড়না। গয়না, চুড়ি ও খোলা চুলে উৎসবের সাজেই ক্যামেরার সামনে পোজ দিয়েছিলেন অভিনেত্রী। কিন্তু অনুষ্ঠানে তাঁর উপস্থিতির চেয়ে বেশি আলোচনায় এসেছে পোশাক।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এরই মধ্যে শুরু হয়েছে সমালোচনা। কারও প্রশ্ন, ধর্মীয় অনুষ্ঠানে এমন পোশাক কি মানানসই? কেউ আবার মনে করছেন, গণেশপূজাকে তারকারা কি ধর্মীয় আয়োজনের বদলে ফ্যাশন প্রদর্শনের মঞ্চ বানিয়ে ফেলছেন?

দিশাকে ঘিরে এই বিতর্ক অবশ্য একেবারে নতুন কোনো ঘটনা নয়। বরং কয়েক সপ্তাহ আগেই অভিনেত্রী কৃতি শ্যাননের একটি বিজ্ঞাপনকে কেন্দ্র করে একই ধরনের বিতর্ক হয়েছিল। ফলে দিশার পোশাক নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠতেই পুরোনো সেই বিতর্কও সামনে এসেছে।

কী পরেছিলেন দিশা
কৃতির পর পোশাক বিতর্কে দিশা

কৃতির পর পোশাক বিতর্কে দিশা

২০২৬ সালের গণেশ চতুর্থীতে আম্বানি পরিবারের গণপতি উৎসবে উপস্থিত হন দিশা। তাঁর পরনে ছিল লাল রঙের ঘাগরা, যার ওপর ছিল সূক্ষ্ম কারুকাজ। সঙ্গে লাল ব্লাউজ, যার গলার কাট ছিল বেশ গভীর। এক কাঁধে লাল ওড়না, কানে বড় দুল ও হাতে চুড়ি দিয়ে সাজ সম্পূর্ণ করেছিলেন তিনি।

অনুষ্ঠানে ঢোকার সময় আলোকচিত্রীদের জন্য পোজও দেন অভিনেত্রী। সেই ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পরই শুরু হয় বিতর্ক।

এক্সে এক ব্যবহারকারী লিখেছেন, ‘গণপতি উৎসবের জন্য কী ভয়ংকর পোশাক! সেখানে কি কোনো ড্রেস কোড থাকা উচিত নয়?’

আরেকজন প্রশ্ন তুলেছেন, গণেশ উৎসবে তাঁর এই পোশাক আদৌ উপযুক্ত কি না। কারও কারও মন্তব্য আরও আক্রমণাত্মক। একজন লিখেছেন, দিশা গণপতি উৎসবে গিয়েছিলেন, নাকি র‍্যাম্পে হাঁটতে?

কৃতির পর পোশাক বিতর্কে দিশা

কৃতির পর পোশাক বিতর্কে দিশা

আরেক ব্যবহারকারীর বক্তব্য, গণেশ দর্শন ও পূজা ধর্মীয় উপলক্ষ; এটি কোনো নাইট ক্লাব, নাচের অনুষ্ঠান বা ফ্যাশন শো নয়। তাই এমন পোশাক নিয়ে প্রশ্ন তোলা স্বাভাবিক।

দিশার সমালোচকদের যুক্তি মূলত দুটি জায়গায়। প্রথমত, একজন ব্যক্তি নিজের পছন্দমতো পোশাক পরতে পারেন—এটি তাঁরা স্বীকার করছেন। কিন্তু দ্বিতীয়ত, ধর্মীয় অনুষ্ঠানের আলাদা একটা পরিবেশ ও সামাজিক প্রত্যাশা রয়েছে বলেই তাঁদের দাবি।

কেউ কেউ বিষয়টিকে নারীর পোশাক নিয়ন্ত্রণের প্রশ্ন হিসেবে দেখতে নারাজ। তাঁদের বক্তব্য, এখানে ব্যক্তিস্বাধীনতার চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো ধর্মীয় অনুষ্ঠানের প্রতি সম্মান দেখানো। দিশার ক্ষেত্রে অবশ্য তিনি নিজে এখন পর্যন্ত এই সমালোচনার কোনো জবাব দেননি।

কৃতি শ্যাননের বিতর্কও ফিরল
দিশাকে ঘিরে বিতর্কের কয়েক দিন আগেই একই ধরনের ঘটনা ঘটেছিল কৃতি শ্যাননকে নিয়ে। গয়না ব্র্যান্ড জিআইভিএর রক্ষাবন্ধন উপলক্ষে তৈরি বিজ্ঞাপনে অভিনয় করেছিলেন কৃতি। বিজ্ঞাপনে তাঁকে ব্রালেটধাঁচের ব্লাউজ, কেপ ও ড্রেপ করা স্কার্টে দেখা গিয়েছিল।

বিজ্ঞাপনটি প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের একটি অংশ সমালোচনায় সরব হয়। শেষ পর্যন্ত জিআইভিএ বিজ্ঞাপনটি প্রত্যাহার করে নেয়।

ব্র্যান্ডটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, ভারতীয় সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও উৎসবের প্রতি তাদের গভীর শ্রদ্ধা রয়েছে। বিজ্ঞাপনের উদ্দেশ্য ছিল উৎসবের আনন্দকে পোষা প্রাণীদের সঙ্গেও ভাগ করে নেওয়া। কিন্তু বিজ্ঞাপনটি কোনো অংশের মানুষের অনুভূতিতে অনিচ্ছাকৃতভাবে আঘাত করে থাকলে তারা দুঃখিত এবং সে কারণেই সব মাধ্যম থেকে বিজ্ঞাপনটি সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

কৃতি অবশ্য বিষয়টি সহজভাবে নেননি। বিজ্ঞাপনটি নিয়ে নিজের অবস্থান জানিয়ে তিনি লিখেছিলেন, ‘সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য তাঁর হৃদয়ে, গলার কাটে নয়।’

পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status