|
ভারতে আটক থাকা ফয়সালের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা
নতুন সময় প্রতিবেদক
|
![]() ভারতে আটক থাকা ফয়সালের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দুর্নীতির অভিযোগ থাকায় ফয়সাল ও তার স্ত্রী শাহেদা পারভীন সামিয়ার বিষয়ে সোমবার (৩১ আগস্ট) ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. শাহজাহান কবির এ আদেশ দেন। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ আসে বলে কমিশনের জনসংযোগ কর্মকর্তা আকতারুল ইসলাম জানিয়েছেন। আবেদনটি করেন কমিশনের সহকারী পরিচালক মো. সাইফুর রহমান। এতে বলা হয়, ফয়সাল করিম ও তার স্বার্থ সংশ্লিষ্টদের ব্যাংক হিসাবে ১২৭ কোটি টাকা লেনদেন হওয়ার অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। “অভিযোগ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বিদেশে পালিয়ে যেতে পারেন বলে অনুসন্ধানকালে বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়। অভিযোগের সুষ্ঠু অনুসন্ধানের স্বার্থে তাদের বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া একান্ত প্রয়োজন।” গত ৭ মার্চ পশ্চিমবঙ্গের উত্তর চব্বিশ পরগণা জেলার বনগাঁ থেকে সহযোগী আলমগীর হোসেনসহ ফয়সালকে গ্রেপ্তার করার কথা জানায় ভারতের পুলিশ। এরপর থেকে তিনি সেখানে আটক রয়েছেন। জুলাই অভ্যুত্থান এবং আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের আন্দোলনের মধ্য দিয়ে পরিচিতি পাওয়া হাদি ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন। গত বছরের ১২ ডিসেম্বর গণসংযোগের জন্য বিজয়নগর এলাকায় গিয়ে তিনি হামলার শিকার হন। চলন্ত রিকশায় থাকা হাদিকে গুলি করেন চলন্ত মোটরসাইকেলের পেছনে বসে থাকা আততায়ী। গুরুতর আহত হাদিকে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে এক দফা অস্ত্রোপচারের নেওয়া হয় ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে। এর দুদিন পর এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে হাদিকে সিঙ্গাপুরে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন থাকার পর গত ১৮ ডিসেম্বর হাদির মৃত্যুর খবর আসে। হাদি গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর গত ১৪ ডিসেম্বর ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের বাদী হয়ে হত্যাচেষ্টা মামলা দায়ের করেন। পরে মামলাটিতে হত্যার ৩০২ ধারা যুক্ত হয়। এরপর থানা পুলিশের হাত ঘুরে মামলার তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয় ডিবি পুলিশকে। তদন্ত শেষে সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর তাইজুল ইসলাম চৌধুরী বাপ্পি, সাবেক ছাত্রলীগ কর্মী ফয়সাল করিম মাসুদসহ ১৭ জনকে আসামি করে গত ৬ জানুয়ারি অভিযোগপত্র দেয় গোয়েন্দা পুলিশ। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
