|
সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকী গ্রেপ্তার
নতুন সময় প্রতিবেদক
|
|
সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকী গ্রেপ্তার জামিনে থাকা মুক্তিযোদ্ধা ও আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সাবেক সদস্য আবদুল লতিফ সিদ্দিকীকে আবার গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার ( ২৯ জুলাই) বিকাল সাড়ে ৬টায় রাজধানীর গুলশান থেকে আওয়ামী লীগের সাবেক এ মন্ত্রীকে গ্রেপ্তারের তথ্য দিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখার প্রধান অতিরিক্ত কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম। তিনি জানান, মতিঝিলের শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশ ঘিরে ‘হত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের’ মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শফিকুল বলেন, গুলশান থেকে তাকে ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে আসা হয়েছে। এর আগে ২০২৫ সালের ২৮ অগাস্ট ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) মুক্তিযুদ্ধ ও সংবিধান নিয়ে এক আলোচনা সভায় ‘মব’ হামলার শিকার হন লতিফ সিদ্দিকীসহ আলোচকরা। পরে তিনিসহ ১৬ জনকে হেফাজতে নেয় পুলিশ। পরদিন শাহবাগ থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। এ মামলায় নিম্ন ও উচ্চ আদালতে ২০২৫ সালের ৬ নভেম্বর জামিনের পর তিনি মুক্তি পান। এ মামলায় তিনি বিভিন্ন সময় আদালতে হাজিরা দিয়েছেন। এরইমধ্যে রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশ ঘিরে হত্যাযজ্ঞের ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আসামী করা হয় লতিফ সিদ্দিকীকে। বুধবার শাহবাগ থানার মামলায় হাজিরা দিতে লতিফ সিদ্দিকী আবার ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানার আদালতে আসেন। হাজিরা শেষে সাংবাদিকদের তিনি শাপলা চত্বর মামলায় 'আত্মসমর্পণের সিদ্ধান্ত' নেওয়ার কথা বলেছিলেন। তিনি তখন বলেন, “আজ সকালে আমাকে জানানো হয়েছে, শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশের ঘটনায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে করা মামলায় আমার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। আমি জানি, আজ যদি আদালতে না আসতাম, তাহলে মনে করা হতো আমি আত্মগোপনে চলে গেছি। আমি সাধারণত আত্মগোপন করি না, সব সময় আত্মপ্রকাশ করি। সে কারণেই আজ আদালতে এসেছি।” শাপলা চত্বরের ঘটনার বিষয়ে নিজের সম্পৃক্ততা অস্বীকার করে সাবেক এই মন্ত্রী বলেন, “আমি তখন মন্ত্রী ছিলাম। কিন্তু শাপলা চত্বরের ঘটনা বা সে সময়কার কোনো বিষয়ে আমি কিছু জানি না।” এর ঘণ্টা কয়েক পরই তাকে গ্রেপ্তারের তথ্য দিল গোয়েন্দা পুলিশ।
|
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
