|
ভালুকায় তুলার গোডাউনে আগুন, ক্ষয়ক্ষতির দাবি প্রায় ২০ লাখ টাকা
মোঃ হাবিব উল্যাহ পাঠান, ভালুকা
|
![]() ভালুকায় তুলার গোডাউনে আগুন, ক্ষয়ক্ষতির দাবি প্রায় ২০ লাখ টাকা রোববার (১৪ জুন) রাত ১১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। ফায়ার সার্ভিসের প্রায় দুই ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে এলেও গোডাউনটির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিষ্ঠানের মালিকের দাবি, এতে তাঁর প্রায় ২০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাত ১১টার দিকে গোডাউনের পেছনের অংশে আগুন জ্বলতে দেখা যায়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। প্রায় দুই ঘণ্টার চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে এলেও ততক্ষণে গোডাউনের ভেতরে থাকা তুলাসহ বিভিন্ন মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে যায়। প্রত্যক্ষদর্শী লিলি আক্তার বলেন, 'রাত ১১টার দিকে বাইরে বের হয়ে দেখি আগুন লেগেছে। গোডাউনের পেছনের দিক থেকে আগুন দেখা যাচ্ছিল। পরে আশপাশের লোকজন এসে দেখে পেছনের দিক থেকে ধোঁয়া বের হচ্ছে এবং আগুনে পুড়ে তুলার গোডাউন ছাই হয়ে গেছে।' আরেক প্রত্যক্ষদর্শী মোশারফ হোসেন বলেন, 'পেছনের দিক থেকে পরিকল্পিতভাবে কেউ আগুন লাগিয়ে দিয়েছে। আগুন লাগার সময় আমরা সবাই দোকানের সামনে খেলা দেখছিলাম। পরে একজন খবর দিলে এসে দেখি পেছনের দিক থেকে ধোঁয়া বের হচ্ছে।' অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত বিল্লাল এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী মো. বিল্লাহ হোসেনও পূর্বশত্রুতার জেরে কেউ গোডাউনের পেছনের দিক থেকে আগুন দিয়েছে বলে দাবি করেন। তিনি বলেন, 'আমার এই গোডাউনে কোনো বিদ্যুৎ–সংযোগ নেই। এখানে কীভাবে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে, তা আমাদের জানা নেই।” তাঁর ভাষ্য, এ ঘটনায় তাঁর প্রায় ২০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।' ভালুকা ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার আতিকুল ইসলাম বলেন, 'প্রাথমিকভাবে আগুনের সূত্রপাতের কারণ জানা যায়নি। আমাদের দুটি ইউনিট প্রায় দুই ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তিনি আরও জানান, আগুন লাগার প্রকৃত কারণ এবং ক্ষয়ক্ষতির সঠিক পরিমাণ নির্ধারণে তদন্ত চলছে।' |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
