ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
সোমবার ১ জুন ২০২৬ ১৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
গোপালগঞ্জে অর্থের প্রলোভনে ১৩ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণ
হোসেন আলী, গোপালগঞ্জ
প্রকাশ: Monday, 1 June, 2026, 5:02 PM

গোপালগঞ্জে অর্থের প্রলোভনে  ১৩ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণ

গোপালগঞ্জে অর্থের প্রলোভনে ১৩ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণ

গোপালগঞ্জের সদর উপজেলার  উরফি   ইউনিয়নের মধুপুর গ্রামে  ১৩ বছর বয়সী এক কিশোরীকে অর্থের প্রলোভনে  একাধিকবার  ধর্ষণের অভিযোগে উঠেছে একই এলাকার শাকিল খাঁন( ১৯) নামে এক ব্যাক্তির বিরুদ্ধে।
  
সোমবার (০৪ মে) দুপুর আনুমানিক ১২.০০ টায় শাকিল তার নিজ বাড়িতে অর্থের প্রলোভনে ডেকে নিয়ে  জোর পূর্বক ধর্ষন করে। 
এ ঘটনায়  অত্র এলাকায় ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে । 

উক্ত ঘটনাায় গোপালগঞ্জ সদর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন । 

ধর্ষনকারী একই গ্রামের মো নাছির খানের ছেলে সাকিল খান । ঘটনাটি জানাজানি হলে সাকিল খান নিখোজ রয়েছে। 
 ছেলের বাবা  নাছির খাঁনের কাছে জানতে চাইলে ঘটনার সত্যতাস্বীকার করে বলেন,  এলাকার মেম্বার ও চেয়ারম্যান দায়িত্ব নিয়ে মিটিয়ে দিবে বলে দাবি করেন। মেম্বার বাদশা খান বলেন আমি ঘটনাটি শুনেছি তবে যেহেতু থানায় মামলা হয়েছে তাই এই বিচারের ভার আমরা নিতে পারবো না  আইন আইনের মত করে ধর্ষককারীর বিচার করবে। 
 
গোপালগঞ্জ সদর থানায় গত ০৬ মে রাত ২২.৪৫ মিনিটে আদরী বেগম (মেয়ের মা) বাদী হয়ে মামলা রুজু করেন। 

তিনি বলেন আমি আর আমার স্বামী প্রগতি ইট ভাটায় কাজ করিতে গেলে ফাকা বাসায় বসে তাকে টাকার লোভ ও ভয় ভীতি দেখিয়ে শারিরীক সম্পর্ক করে আমার মেয়েটির জীবন ধ্বংস করে দিয়েছে।  আমরা বাসায় না থাকার সুবাধে ০৪ মে শাকিল তাকে নিজ বাড়িতে নিয়ে জোর পূর্বক ধর্ষন করে। স্থানীয় মেম্বার বাদশা খান সহ এলাকার সমাজের গন্যমান্য ব্যাক্তিদের জানালেও কোন সুবিচার না পেয়ে থানায় এজাহার দায়ের করি। 

আমি এই লম্পট এর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাই। 

 গোপালগঞ্জ থানার  কর্মকর্তা (ওসি) মো আনিচুর রহমান এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন। 

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, গত ০৪ মে দুপুরে শাকিল খান  শিশুটিকে ফুসলিয়ে তাঁর ঘরে নিয়ে যান। বাড়িতে সে সময় কেউ না থাকার সুযোগে তিনি শিশুটিকে ভয়ভীতি দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

 ঘটনার পর শিশুটি কান্নাকাটি করে বাড়ি ফিরলে পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি জানতে পারেন। 

তবে অভিযুক্ত শাকিল  ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা ঘটনাটি স্বীকার করে।  ঘটনার পর থেকে শিশুটি মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে এবং অসুস্থবোধ করতে থাকে।
চাঁদনির মা আদরী বলেন আমার মেয়েকে টাজার প্রলবন ও ভয় ভীতি  দেখিয়ে গত একমাসে ৭/৮ বার ধর্ষন করা হয়।আমি এই লম্পট এর সর্বোচ্চ শাস্তির দাবী জানাই। 
 মেয়েটির  কাছে এই বিষয়টি জানতে চাইলে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে।

মেয়েটির মা আদরি বেগম  আরো বলেন, ন্যায় বিচারের আশায় থানায় মামলা করা  হলেও, আজও পর্যন্ত কোন ব্যবস্থা নেননি। 

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এস আই মো নজরুল ইসলামের কাছে জানতে চাইলে বলেন  আমি আমার জায়গা থেকে যথাসম্ভব আসামিকে আইনের আওতায় এনে ধর্ষনের সর্বোচ্চ  শাস্তির ব্যবস্থা করব।

পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status