|
প্রথম প্রান্তিকে ২৩২ কোটি টাকা মুনাফা রবির
নতুন সময় ডেস্ক
|
![]() প্রথম প্রান্তিকে ২৩২ কোটি টাকা মুনাফা রবির প্রথম প্রান্তিকে রবির মোট আয় হয়েছে ২,৫৩১.২ কোটি টাকা, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৮.১% বেশি। শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) দাঁড়িয়েছে ০.৪৪ টাকা, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৮৫.২% বেশি। এ সময়ে রবি নেটওয়ার্ক ও অবকাঠামো উন্নয়নসহ বিভিন্ন খাতে ৩৪৯.৫ কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছে। একই সঙ্গে কর, ভ্যাট ও ফি বাবদ রবি সরকারি কোষাগারে ২,০৭৩.৬ কোটি টাকা জমা দিয়েছে, যা ওই প্রান্তিকে কোম্পানির মোট আয়ের ৮২ শতাংশ। প্রথম প্রান্তিক শেষে রবির সক্রিয় গ্রাহক সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫ কোটি ৭৪ লাখ। ডাটা গ্রাহক এবং ফোরজি গ্রাহক সংখ্যা যথাক্রমে ৪ কোটি ৪৫ লাখ এবং ৪ কোটি ৩ লাখ। গত জানুয়ারি-মার্চ প্রান্তিকে রবির একজন ডাটা ব্যবহারকারী প্রতি মাসে গড়ে ৮.৯৫ জিবি ডাটা ব্যবহার করেছেন, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ১৫.৪% বেশি। এই প্রান্তিকে রবির সুদ, আয়কর, অবচয় ও অ্যামর্টাইজেশন পূর্ববর্তী আয় (ইবিআইটিডিএ) ৫৩.৩% মার্জিনসহ ১,৩৫০.৩ কোটি টাকায় পৌঁছেছে। আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ইবিআইটিডিএ বেড়েছে ২১.৬%, যা ব্যয় ব্যবস্থাপনায় কোম্পানির শৃঙ্খলার ইতিবাচক ফলাফল নির্দেশ করে। আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ইবিআইটিডিএ মার্জিন বেড়েছে ৫.৯ শতাংশীয় পয়েন্ট। নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণে ২০২৬ সালের প্রথম প্রান্তিক শেষে রবির ফোরজি সাইট সংখ্যা ১৯,৩০০ ছাড়িয়েছে, যার মাধ্যমে ৯৮.৯৮% জনসংখ্যার কভারেজ নিশ্চিত হয়েছে। চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে রবির মোট আয় আগের প্রান্তিকের তুলনায় ২.১% কমেছে। মূলত আগের প্রান্তিকের তুলনায় প্রথম প্রান্তিকে দিনের সংখ্যা কম থাকার কারণে এটি হয়েছে। তবে রবি নেটওয়ার্কে ডাটা ব্যবহারকারী প্রতি গড় ডাটা ব্যবহারের হার আগের প্রান্তিকের তুলনায় ৬.১% বেড়েছে। আগের প্রান্তিকের তুলনায় ইবিআইটিডিএ ৪.৩% এবং ইবিআইটিডিএ মার্জিন বেড়েছে ৩.৩ শতাংশীয় পয়েন্ট। ২০২৬ সালের প্রথম প্রান্তিকের আর্থিক অবস্থান সম্পর্কে রবি আজিয়াটা পিএলসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও জিয়াদ সাতারা বলেন,“মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে বৈশ্বিক আর্থ-সামাজিক পরিস্থিতি আরও প্রতিকূল হয়ে ওঠার পরও আমরা ৮.১ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছি। এটি স্পষ্টভাবে প্রমাণ করে যে, নেটওয়ার্ক উন্নয়নে ধারাবাহিক বিনিয়োগের পাশাপাশি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) নির্ভর ব্যক্তিকেন্দ্রিক পণ্য ও সেবা ইতিবাচক ফল দিচ্ছে।” তিনি বলেন, “ব্যয় ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা বজায় রাখা ও বিনিয়োগ পরিকল্পনার মাধ্যমে ২০২৬ সালের প্রথম প্রান্তিকে আমরা শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ভালো মুনাফা নিশ্চিত করতে পেরেছি। অর্থনৈতিক পরিস্থিতির উন্নতির সঙ্গে সঙ্গে এই ধারা অব্যাহত থাকবে বলে আমরা আশাবাদী।”
|
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
