|
১১৩ বিধায়ক নিয়ে কীভাবে সরকার চালাবেন?—বিজয়কে গভর্নরের প্রশ্ন
নতুন সময় ডেস্ক
|
![]() ১১৩ বিধায়ক নিয়ে কীভাবে সরকার চালাবেন?—বিজয়কে গভর্নরের প্রশ্ন সূত্রের বরাতে এনডিটিভি জানিয়েছে, গভর্নর বিজয়কে সরাসরি প্রশ্ন করেছেন—‘১১৩ জন বিধায়ক নিয়ে কীভাবে সরকার পরিচালনা করবেন, যেখানে সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য প্রয়োজন ১১৮ জনের সমর্থন?’ এ সময় গভর্নর আরও জানতে চান, কোন কোন রাজনৈতিক দল টিভিকেকে সমর্থন দিতে রাজি এবং ভবিষ্যতে সমর্থন নিয়ে যেসব বক্তব্য এসেছে, সেগুলোর ভিত্তি কী। জবাবে বিজয় নাকি জানিয়েছেন, তিনি বিধানসভায় আস্থা ভোটের মুখোমুখি হতে প্রস্তুত। পাশাপাশি সরকার গঠনের সুযোগ না পেলে আইনি পথেও যেতে পারে টিভিকে। গত মাসের বিধানসভা নির্বাচনে ২৩৪ আসনের মধ্যে ১০৮টি আসন জিতে একক বৃহত্তম দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে টিভিকে। তবে সরকার গঠনের জন্য দলটির এখনও ১০টি আসনের সমর্থন প্রয়োজন। কংগ্রেস ইতোমধ্যে টিভিকেকে সমর্থনের ঘোষণা দিয়েছে। তবে তাদের শর্ত—বিজয়ের জোটে বিজেপির মতো ‘সাম্প্রদায়িক শক্তি’ থাকতে পারবে না। কংগ্রেসের পাঁচজন বিধায়কের সমর্থন পেলে টিভিকের সংখ্যা দাঁড়ায় ১১৩। বাকি সমর্থনের জন্য সিপিআই, সিপিএম, বিদুথালাই চিরুথাইগাল কাচ্চি (ভিসিকে) এবং পট্টালি মাক্কাল কাচ্চির (পিএমকে) সঙ্গে আলোচনা চালাচ্ছে টিভিকে। এই দলগুলোর সমর্থন মিললে বিজয়ের জোটের আসন সংখ্যা দাঁড়াতে পারে ১২৩-এ। তবে পরে বিজয় তার ত্রিচি ইস্ট আসন ছাড়লে সংখ্যা কমে ১২২ হবে। কারণ তিনি ত্রিচি ইস্ট ও পেরাম্বুর—দুটি আসনেই জয় পেয়েছেন। তবে এই সমীকরণেও জটিলতা রয়েছে। ভিসিকে বর্তমানে ডিএমকের জোটসঙ্গী এবং পিএমকে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোটের অংশ। ফলে তাদের বর্তমান জোট ছাড়তে হবে। এদিকে এআইএডিএমকের সঙ্গেও সম্ভাব্য সমঝোতার আলোচনা চলছে বলে গুঞ্জন রয়েছে। রাজনৈতিক মহলে খবর, দলটির একাধিক বিধায়ক বিজয়ের সঙ্গে যেতে আগ্রহী এবং তাদের পুদুচেরির একটি রিসোর্টে রাখা হয়েছে। তবে এআইএডিএমকে নেতা সিভি শানমুগাম ও কেপি মুনুসামি জোটের গুঞ্জন অস্বীকার করে বলেছেন, ‘বিজয়ের সঙ্গে কোনো চুক্তি হচ্ছে না।’ অন্যদিকে বিজয় নিজেও বিজেপির সঙ্গে এআইএডিএমকের সম্পর্কের কারণে ওই জোটে যেতে অনাগ্রহী বলে জানা গেছে। যদিও রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এআইএডিএমকে প্রধান এডাপ্পাডি কে পলানিস্বামী অবস্থান পরিবর্তন করলে দুই দলের মিলিত আসন সংখ্যা ১৫০ ছাড়িয়ে যাবে। সবশেষে, যদি টিভিকে প্রয়োজনীয় সমর্থন জোগাড়ে ব্যর্থ হয়, তাহলে গভর্নর নবনির্বাচিত বিধানসভা স্থগিত করে প্রেসিডেন্টস রুল জারির সুপারিশ করতে পারেন। সেক্ষেত্রে তামিলনাড়ুতে আবারও নতুন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে পারে। এদিকে রাজনৈতিক দরকষাকষির এই সময়ে টিভিকের ১০৭ জন নবনির্বাচিত বিধায়ককে চেন্নাই থেকে প্রায় ৫০ কিলোমিটার দূরের মামল্লাপুরমের একটি রিসোর্টে রাখা হয়েছে।
|
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
