ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
বৃহস্পতিবার ৭ মে ২০২৬ ২৪ বৈশাখ ১৪৩৩
এপস্টাইনের রহস্যময় সুইসাইড নোট প্রকাশ, মৃত্যুর আগে কী লিখেছিলেন?
নতুন সময় প্রতিবেদক
প্রকাশ: Thursday, 7 May, 2026, 10:48 AM

এপস্টাইনের রহস্যময় সুইসাইড নোট প্রকাশ, মৃত্যুর আগে কী লিখেছিলেন?

এপস্টাইনের রহস্যময় সুইসাইড নোট প্রকাশ, মৃত্যুর আগে কী লিখেছিলেন?

দীর্ঘ কয়েক বছর পর বিতর্কিত যৌন অপরাধী মার্কিন ধনকুবের জেফরি এপস্টাইনের হাতে লেখা একটি গোপন সুইসাইড নোট আদালতের নির্দেশে জনসমক্ষে আনা হয়েছে। এই চিরকুট মূলত এপস্টাইনের কক্ষসঙ্গী নিকোলাস টারটাগ্লিওনের একটি মামলার নথির সঙ্গে গোপন রাখা হয়েছিল। 

বৃহস্পতিবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে মার্কিন সংবাদ মাধ্যম নিউ ইয়র্ক টাইমস।

চিরকুটে আক্ষেপ করে এপস্টাইন লিখেছেন, তদন্তকারীরা মাসের পর মাস তদন্ত করেও তার বিরুদ্ধে কিছুই পাননি। তবুও তাকে অনেক বছর আগের পুরনো অভিযোগে ফাঁসানো হয়েছে। 

তিনি লিখেছেন, নিজের বিদায় জানানোর সময়টা নিজে বেছে নিতে পারা একটি ভাগ্যের ব্যাপার। চিরকুটে অত্যন্ত ক্ষোভের সঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, লোকে কি চায় তিনি কান্নায় ভেঙে পড়বেন? এর শেষে তিনি বড় করে আন্ডারলাইন করে লিখেছিলেন— কোনো মজা নেই এবং এটার কোনো মূল্য নেই।

এপস্টাইনের কক্ষসঙ্গী টারটাগ্লিওন জানান, ২০১৯ সালের জুলাই মাসে এপস্টাইন যখন প্রথমবার আত্মহত্যার চেষ্টা করেছিলেন, তখন তাদের সেলের একটি গ্রাফিক নভেলের ভেতর তিনি এই চিরকুট খুঁজে পান। 

টারটাগ্লিওন পেশায় একজন সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা ছিলেন। বর্তমানে তিনি হত্যার দায়ে দণ্ডপ্রাপ্ত। এই চিরকুটটি আইনজীবীদের কাছে দিয়েছিলেন টারটাগ্লিওন। যাতে প্রমাণ করা যায় কারাবন্দি এপস্টাইন নিজেই নিজের ক্ষতি করতে চেয়েছিলেন এবং টারটাগ্লিওন তাকে কোনো আক্রমণ করেননি। 

যদিও এপস্টাইন তার কয়েক সপ্তাহ পরেই কারাগারে মারা যান। মেডিকেল রিপোর্ট অনুযায়ী সেটিকে আত্মহত্যা বলা হয়েছিল। কিন্তু তার মৃত্যু নিয়ে আজও নানা রহস্য রয়ে গেছে। 

নিউ ইয়র্ক টাইমসের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সম্প্রতি এই নথিটি উন্মুক্ত করেছে আদালত। যদিও এর সত্যতা নিয়ে এখনও কিছু অস্পষ্টতা আছে। তবে চিরকুটে ব্যবহৃত ভাষা এপস্টাইনের আগের ইমেইলগুলোর ভাষার সঙ্গে হুবহু মিলে যায়। মার্কিন বিচার বিভাগও স্বীকার করেছে, এই চিরকুট এতদিন তাদের নথিপত্রে ছিল না।

এপস্টাইনের বিরুদ্ধে যৌনতার জন্য অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়েদের একটি বিশাল নেটওয়ার্ক চালানোর অভিযোগ আনা হয়েছিল। তবে নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন তিনি।

গত বছরের নভেম্বরে মার্কিন কংগ্রেসের উভয় কক্ষই এপস্টিন ফাইলস ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্টকে অনুমোদন করে। এরপর, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একটি বিল স্বাক্ষর করেন যাতে বিচার বিভাগকে ১৯শে ডিসেম্বরের মধ্যে এপস্টিনের বিরুদ্ধে সংঘটিত ফৌজদারি তদন্তের সমস্ত নথি প্রকাশ করার নির্দেশ দেওয়া হয়। গত ৩০ জানুয়ারি ৩০ লাখেরও বেশি নথি প্রকাশ করে মার্কিন বিচার বিভাগ। সেই নথিতে এপস্টিনের ভয়াবহ কুকীর্তি জনসমক্ষে আসে।

পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status