ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
বৃহস্পতিবার ২৩ এপ্রিল ২০২৬ ১০ বৈশাখ ১৪৩৩
ভোট দিতে পারলেন না মীর জাফরের বংশধররা
নতুন সময় ডেস্ক
প্রকাশ: Thursday, 23 April, 2026, 5:25 PM

ভোট দিতে পারলেন না মীর জাফরের বংশধররা

ভোট দিতে পারলেন না মীর জাফরের বংশধররা

পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে ভোট দিতে পারেননি মীর জাফরের বংশধর ও ছোটে নবাব হিসেবে পরিচিত সৈয়দ মুহাম্মদ রেজা আলি মির্জা। তার ছেলে সৈয়দ মুহাম্মদ ফাহিম আলি মির্জাসহ মীর জাফরের বংশের ৩৪৬ জনের সদস্যের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়ায় আজ বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) থেকে শুরু হওয়া নির্বাচনে ভোট দেওয়া থেকে বঞ্চিত হলেন তারা।

যে শহরের ইতিহাস, স্থাপত্য আর ঐতিহ্যের প্রতিটি ইটে জড়িয়ে রয়েছে তাদের পূর্বপুরুষদের নাম, সেই শহরের ভোটদান প্রক্রিয়া থেকেই বঞ্চিত হলেন নবাব মীরজাফরের বংশধরেরা। প্রথমে বিবেচনাধীন থাকলেও পরে ভোটার তালিকা প্রকাশ পেলে দেখা যায় তাতে নাম নেই তাদের। মিরজাফরের ১৫তম বংশধর মুহাম্মদ রেজা আলি মির্জা। যিনি মুর্শিদাবাদে ছোটে নবাব নামে পরিচিত। এখনও কিল্লা নিজামত এলাকার ঘণ্টা ঘরের কাছে পরিবার নিয়ে বসবাস করেন তিনি। তার ছেলে তথা নবাবের ১৬তম বংশধর সৈয়দ মুহাম্মদ ফাহিম মির্জাও বাবার সঙ্গে একই বাড়িতে থাকেন। মুর্শিদাবাদ পুরসভার ১০ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর তিনি। ভোটার তালিকা থেকে নাম মুছে দেওয়া হয়েছে তারও। ওই অঞ্চলে নবাব পরিবারের হাজার তিনেক সদস্যের বাস। তাদের মধ্যে হাজার দুয়েক ভোটার। এ বারের ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ গিয়েছে ৩৪৬ জনের।

ভোট দিতে যাবেন কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে রেজা আলি মির্জা বলেন, না, যাচ্ছি না। মারধর খাব নাকি? ভেবেছিলাম, ভোট দেওয়ার আবেদন করব বুথকেন্দ্রে। কিন্তু তারপর ভাবলাম যদি কোনও গন্ডগোল হয় তাহলে তার পুরো দায় এসে পড়বে আমার উপরে। এসব ভেবেই আর গেলাম না। এই বয়সে পৌঁছে জীবনে প্রথমবার এমন পরিস্থিতির সম্মুখীন হলাম। খুব খারাপ লাগছেএটা কি আমার প্রাপ্য ছিল বলুন?

তিনি আরও বলেন, মুর্শিদাবাদ শহরে হাজারদুয়ারি প্রাসাদ থেকে অন্যান্য নবাবী স্থাপত্য সব আমাদের পূর্বপুরুষের তৈরি। অথচ ভোটার তালিকা থেকে আমাদের নাম কেটে নাগরিকত্বই কেড়ে নেওয়া হল। আমরা নবাব মীরজাফরের বংশধর। সৈয়দ ওয়াসিফ আলি মির্জাকে ভারত স্বাধীন হওয়ার সময় পাকিস্তানের রাষ্ট্রপতি হওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু আমাদের পরিবার চিরকাল ভারতীয়। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর মুর্শিদাবাদ তিনদিন পাকিস্তানের অন্তর্ভুক্ত ছিল। শেষে আমাদের পরিবারের হস্তক্ষেপে খুলনার বিনিময়ে মুর্শিদাবাদ ভারতের অন্তর্ভুক্ত হয়। আর সেই বংশধরদের আজ এই দশা! 

পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status