|
৩৩ শতাংশ পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত বৃত্তি পরীক্ষায়
নতুন সময় প্রতিনিধি
|
![]() ৩৩ শতাংশ পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত বৃত্তি পরীক্ষায় চলতি বছর বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলায় প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় প্রায় ৩৩ শতাংশ পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিলো। শিক্ষার্থীরা ষষ্ঠ শ্রেণিতে ওঠার ৪ মাস পর এই বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ায় ৩৩.৯% পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেনি। শেষ পরীক্ষার দিন শনিবার দুপুরে উপজেলার কয়েকটি বৃত্তি পরীক্ষার কেন্দ্র ঘুরে এসব তথ্য জানা গেছে। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের তথ্যমতে, এ বছর উপজেলায় প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় ৭৯৪ জন অংশগ্রহণ করার কথা ছিলো। কিন্তু সেখানে অংশগ্রহণ করেছে মাত্র ৫২৫ জন। আর ২৬৯ জন পরীক্ষার্থীই অনুপস্থিত। অর্থাৎ ৩৩.৯% পরীক্ষার্থী অংশ গ্রহণ করেনি। মোবাশ্বির মুনতাসির নামের এক শিক্ষার্থীর অভিভাবক জানান, ষষ্ঠ শ্রেণির নতুন সিলেবাসের সাথে তাল মিলিয়ে পড়ছিল শিক্ষার্থীরা। কিন্তু হঠাৎকরেই তাদের উপর বৃত্তি পরীক্ষাটি চাপিয়ে দেওয়া হয়। একদিকে মাধ্যমিকের পড়া অন্যদিকে বৃত্তি পরীক্ষা। এতে মানসিক চাপে পড়েছে শিক্ষার্থীরা। কোমলমতি বাচ্চারা এক সাথে দুই শ্রেণির পড়ার চাপ সামলাতে গিয়ে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়বে। উপজেলার সান্তাহার হার্ভে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক শিক্ষক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থীরা চার মাস ক্লাশ করার পর বৃত্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহন করেছে। অথচ এই চার মাস তারা হাই স্কুলের সিলেবাস পরেছে। এপ্রিলে পঞ্চম শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষা শেষ। আর জুনে অনুষ্ঠিত হবে তাদের অর্ধ বার্ষিক পরীক্ষা। মাত্র দুই মাসের ব্যবধানে গুরুত্বপূর্ণ দুটি পরীক্ষা নিয়ে শিশু শিক্ষার্থীরা পড়েছে বিপাকে। তিনি আরও বলেন, চার মাস হাইস্কুলে ক্লাশ করার পর বৃত্তি পরীক্ষা ভাল দিতে পারবে না, এই ভেবে অনেক পরীক্ষার্থী অংশ নেয় নি। এই বিষয়টি নিয়ে শিক্ষক-অভিভাবকরাও উদ্বিগ্ন। উপজেলা শিক্ষা অফিসার আবদুর রহিম প্রধান বলেন, সরকারি নির্দেশনা মোতাবেক আমরা ‘প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা’ নিয়েছি। কেন্দ্রে কোনো সমস্যার সৃষ্টি হয়নি। অনেক পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত থাকলেও পরীক্ষা ভালো হয়েছে বলেও দাবি করেন এই শিক্ষা অফিসার। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
