|
১৬৩ জন শিক্ষার্থীকে মেধাবৃত্তির সনদ ও পুরস্কার বিতরণ করলো সাতক্ষীরা শহর কিশোর কন্ঠ ফাউন্ডেশন
নতুন সময় প্রতিনিধি
|
![]() ১৬৩ জন শিক্ষার্থীকে মেধাবৃত্তির সনদ ও পুরস্কার বিতরণ করলো সাতক্ষীরা শহর কিশোর কন্ঠ ফাউন্ডেশন শুক্রবার (৩ এপ্রিল) সকাল ৯টায় সাতক্ষীরা লেক ভিউ ক্যাফে অ্যান্ড রেস্টুরেন্টের কনফারেন্স রুমে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কিশোর কণ্ঠ ফাউন্ডেশন সাতক্ষীরা শহর শাখার চেয়ারম্যান মেহেদী হাসান এবং সার্বিক তত্ত্বাবধান ও সঞ্চালনা করেন নির্বাহী পরিচালক আবু সালেহ সাদ্দাম। অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট লেখক ও গবেষক, ‘মোরা বড় হতে চাই’ গ্রন্থের লেখক ড. আহসান হাবিব ইমরোজ। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কিশোর কণ্ঠ ফাউন্ডেশনের কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা হাফেজ ইউসুফ ইসলাহী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কিশোর কন্ঠ ফাউন্ডেশন সাতক্ষীরা শহর শাখার সাবেক চেয়ারম্যান প্রভাষক ওমর ফারুক,সাবেক কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা মাওলানা হাবিবুর রহমান, আব্দুর রহিম,কিশোর কন্ঠ ফাউন্ডেশন সাতক্ষীরা শহর শাখার প্রধান উপদেষ্টা সাবেক অধ্যক্ষ এমদাদুল হক,উপদেষ্টা ড. মিজানুর রহমান ও ডঃ মুফতি আখতারুজ্জামান। এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন কিশোর কন্ঠ ফাউন্ডেশন সাতক্ষীরা শহর শাখার ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ নুরুন্নবী, উপদেষ্টা মণ্ডলীর সদস্য আল রাজীব, ডাঃ মনিরুল ইসলাম,মোঃ ইমরান হোসেন আফজাল, মোঃ মাসুদ রানা, মোঃ আতিক মুজাহিদ। অনুষ্ঠানে চতুর্থ থেকে সপ্তম শ্রেণী পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের মধ্যে সর্বোচ্চ নম্বরপ্রাপ্ত বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থী মোঃ রোকনুজ্জামান রাহি কে একটি ট্যাব এবং অষ্টম থেকে দশম শ্রেণীর সর্বোচ্চ নম্বরপ্রাপ্ত শিক্ষার্থী হাসান ফারহান কে একটি ল্যাপটপ উপহার প্রদান করা হয়। এছাড়া সকল বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সনদপত্র, ক্রেস্ট, কিশোর কণ্ঠের লোগো সম্বলিত স্কুল ব্যাগ এবং নগদ অর্থ প্রদান করা হয়। ট্যালেন্টপুলে ৪০ জন,সাধারণ গ্রেডে ৬৫ জন এবং বিশেষ বিবেচনায় ৫৮ সহ মোট ১৬৩ জন শিক্ষার্থী বৃদ্ধি প্রাপ্ত হন। অনুষ্ঠানে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। এসময় শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও কিশোর কন্ঠ ফাউন্ডেশনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সমগ্র অনুষ্ঠানটি উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হয় এবং অংশগ্রহণকারীদের মাঝে আনন্দ ও উৎসাহের সঞ্চার করে। অনুষ্ঠানে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সুরাইয়া ইয়াসমিন।অনুষ্ঠানটি উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হয় এবং অংশগ্রহণকারীদের মাঝে আনন্দ ও উৎসাহের সঞ্চার করে। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
