ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
বুধবার ২১ জানুয়ারি ২০২৬ ৭ মাঘ ১৪৩২
২০ জেলায় শৈত্যপ্রবাহ, সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৬.৮
শৈত্যপ্রবাহ থাকতে পারে আরও অন্তত দুদিন
নতুন সময় প্রতিবেদক
প্রকাশ: Saturday, 10 January, 2026, 11:14 AM

২০ জেলায় শৈত্যপ্রবাহ, সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৬.৮

২০ জেলায় শৈত্যপ্রবাহ, সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৬.৮

শৈত্যপ্রবাহের বিস্তৃতি কিছুটা কমেছে। শুক্রবার দেশের ২০ জেলায় শৈত্যপ্রবাহ বয়ে গেছে। এ দিন দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় ৬ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

আবহাওয়া অধিদপ্তর বলেছে, এভাবে শৈত্যপ্রবাহ চলতে পারে আরও অন্তত দুদিন। অধিদপ্তরের দেওয়া পূর্বাভাস অনুযায়ী, এ মাসের অন্তত মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত শৈত্যপ্রবাহ চলতে থাকবে। এ সময় এর বিস্তৃতি কমবেশি হতে পারে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের জ্যেষ্ঠ আবহাওয়াবিদ মুহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিক বলেন, রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের সব জেলায় গতকাল শৈত্যপ্রবাহ বয়ে গেছে। এর পাশাপাশি চার জেলা– নরসিংদী, যশোর, চুয়াডাঙ্গা ও কুষ্টিয়ায়ও বয়ে গেছে শৈত্যপ্রবাহ।

রংপুর ও রাজশাহী বিভাগে জেলার সংখ্যা ১৬। তাই সব মিলিয়ে গতকাল ২০ জেলায় শৈত্যপ্রবাহ বয়ে গেছে। গত বৃহস্পতিবার ২৪ জেলায় শৈত্যপ্রবাহ ছিল। ওই দিন দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এর আগের দিন বুধবার নওগাঁর বদলগাছীতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল ৬ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এটি ছিল এই শীত মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা।

এই শৈত্যপ্রবাহ আর কয়দিন চলবে– এমন প্রশ্নের জবাবে আবহাওয়াবিদ আবুল কালাম মল্লিক বলেন, কয়েকদিন চলতে পারে। দুদিন পর তাপমাত্রা খানিকটা বাড়তে পারে, তারপর আবার কমতে শুরু করবে। এতে নতুন নতুন জেলা যুক্ত হতে পারে, আবার কিছু জেলা বাদ পড়তে পারে।

তিনি জানান, শ্রীলঙ্কার উপকূলে এখন একটি নিম্নচাপ আছে। এর জন্য বায়ুতে উষ্ণতা ছড়িয়ে আছে। এ কারণে বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে কুয়াশা কিছুটা কেটেছে। 

বিপর্যস্ত জনজীবন
পঞ্চগড়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ থেকে আবারও বয়ে চলেছে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ। সকাল-সন্ধ্যা ঘন কুয়াশা আর উত্তরের হিমশীতল বাতাসে বেড়েছে শীতের দাপট। গতকাল সকাল ৯টায় দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৬ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করেছে তেঁতুলিয়া আবহাওয়া অফিস।

দিনভর হালকা কুয়াশার সঙ্গে হিমশীতল বাতাসে জনজীবন বিপর্যন্ত হয়ে পড়েছে। রাতেও বৃষ্টির মতো টিপটিপ করে কুয়াশা ঝরেছে। গতকাল বেলা ১১টা পর্যন্ত সড়ক-মহাসড়কে হেডলাইট জ্বালিয়ে যানবাহন চলাচল করতে দেখা গেছে। বিপাকে পড়েছেন খেটেখাওয়া মানুষ।
অমরখানা এলাকার কৃষি শ্রমিক রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘আমাদের খুব সকালে উঠেই ফসলের ক্ষেতে কাজ শুরু করতে হয়। কিন্তু কয়েকদিন ধরে সারাদিন কুয়াশা আর বাতাসে কনকনে ঠান্ডার কারণে কাজ করতে পারি না।’

তেঁতুলিয়া আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্রনাথ রায় বলেন, তাপমাত্রা ৬ থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস থাকলে মাঝারি এবং ৮ থেকে ১০-এর মধ্যে থাকলে ওই এলাকায় মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যায়। এমন আবহাওয়া পরিস্থিতি আরও দু-তিন দিন থাকতে পারে।

নীলফামারীতে গতকাল সকালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৯ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আবহাওয়া অফিস জানায়, এদিন সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
সৈয়দপুর আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে, গতকাল বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯৬ শতাংশ এবং পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৯ কিলোমিটার বেগে বাতাস প্রবাহিত হয়েছে। এদিন দৃষ্টিসীমা ছিল মাত্র ১৫০ থেকে ২০০ মিটার।

গত তিন দিনে মাত্র ঘণ্টাখানেক সূর্যের দেখা মিললেও দুপুরের পর থেকেই ঘন কুয়াশায় ঢেকে যাচ্ছে চারপাশ। এ অবস্থায় সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন বিদ্যালয়গামী শিক্ষার্থী, দিনমজুর, রিকশাচালক, ভ্যানচালক ও ছিন্নমূল মানুষ। কাজে বের হতে না পেরে অনেকেই আয়-রোজগার হারাচ্ছেন। খোলা আকাশের নিচে বসবাসকারী মানুষের দুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করেছে।

পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status