|
হৃত্বিকের শরীরে বাঙালির রক্ত , কীভাবে
নতুন সময় ডেস্ক
|
![]() হৃত্বিকের শরীরে বাঙালির রক্ত , কীভাবে হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদন অনযায়ী, সম্প্রতি কিছু নতুন ছবি ভাগ করে নিয়ে অভিনেতা স্যোশাল মিডিয়ায় লেখেন, ‘আমার মধ্যে থাকা ২৫ শতাংশ বাঙালি জিনের কারণেই এই ঔজ্জ্বল্য।’ সঙ্গে তিনি হ্যাশট্যাগে লেখেন, মাছের ঝোল ও সোনার বাংলা। জানা যায়, কাজিনের বিয়ে হাজির হয়েছিলেন হৃতিক। বর্তমান প্রেমিকার পাশাপাশি তার সাবেক স্ত্রীও ছিলেন সেখানে। বিয়ের অনুষ্ঠানে অভিনেতার সাজপোশাকে ছাপিয়ে গিয়েছিল সবাইকে। যা দেখে মুগ্ধ নেটাগরিকেরা। তারপরই নিজের ছবি প্রকাশ করে সৌন্দর্যের নেপথ্য কারণ জানান। এদিকে মুহূর্তে ছবিগুলো নেট দুনিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে। সেই সঙ্গে প্রায় সবই প্রশ্ন ছুড়েছেন যে, বাঙালির সঙ্গে হৃতিকের যোগ কোথায়? সে প্রশ্নের উত্তর মিলল কলকাতার বাংলা দৈনিক আনন্দবাজারের প্রতিবেদনে। হৃত্বিকের বাবা বলিউডের স্বনামধন্য পরিচালক-প্রয়োজক রাকেশ রোশান। এই পরিবারে সাংস্কৃতিক আবহ নতুন নয়। আর হৃতিকের বাঙালি যোগের সূত্রটি আসে তার ঠাকুরমা (দাদি) ইরা রোশানের কাছ থেকে। বাঙালি ইরা রোশানের পারিবারিক নাম ছিল ইরা মৈত্র। ![]() হৃত্বিকের শরীরে বাঙালির রক্ত , কীভাবে কলকাতার মেয়ে ইরা মৈত্র মাত্র ২০ বছর বয়সে অল ইন্ডিয়া রেডিওতে কাজ শুরু করেন। গান ছিল তার নেশা। সেই সংগীতের রেশ ধরে তার বিয়ে হয় সংগীত পরিচালক রোশান লাল নাগরথের সঙ্গে। এটি ছিল রোশানের দ্বিতীয় বিয়ে। তাদের সংসারে জন্ম নেন দুই ছেলে-রাকেশ ও রাজেশ। তবে হঠাৎ একদিন হার্ট অ্যাটাকে মারা যান রোশান লাল। তারপর দুই ছেলে নিয়ে ইরা পাড়ি জমান মুম্বাইয়ে। ইরা পরিবারের মূল ভিত ছিলেন, তার কথাই ছিল শেষ কথা। তিনি রান্না ভালোবাসতেন, বিশেষ করে মাছের পদ রান্না করা ছিল তার পছন্দের কাজ। ছোটবেলা থেকেই ইরার আদরের নাতি ছিলেন হৃতিক। দাদিকে হৃত্বিক ডাকতেন ‘ঠামি’ বলে। তবে ঠামির কাছ থেকে বাংলা শেখা হয়নি তার। রাকেশ রোশান কিছুটা বাংলা জানলেও হৃতিকের সে সুযোগ হয়নি। হৃতিককে সবশেষ দেখা গেছে ওয়ার ২ সিনেমায়। এতে আরও ছিলেন দক্ষিণী সুপারস্টার এনটিআর জুনিয়র। তবে ছবি ব্যবসায়িকআবে লাভের মুখ দেখেনি। ওই জায়গা থেকে বলা যায় সৌন্দর্য ঢাল হতে পারেনি। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
