|
চট্টগ্রামের আলোচিত ব্যবসায়ী হাকিম হত্যাকান্ডে গ্রেপ্তার আরও ৬
বিধান বিশ্বাস, চট্টগ্রাম
|
![]() চট্টগ্রামের আলোচিত ব্যবসায়ী হাকিম হত্যাকান্ডে গ্রেপ্তার আরও ৬ রবিবার (৯ নভেম্বর) গভীর রাতে রাউজানের নোয়াপাড়া চৌধুরীহাটসহ বিভিন্ন স্থান থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এর আগে হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে ৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। তাদের কাছ থেকে একটি দেশে তৈরি বন্দুক, একটি এলজি এবং একটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়। চট্টগ্রামের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (শিল্পাঞ্চল ও ডিবি) মো.রাসেল জানান, মদুনাঘাট ব্রীজের কাছে ব্যবসায়ী আবদুল হাকিম হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত বিদেশি পিস্তল-রিভলবার, গুলি ও মোটরসাইকেলসহ ৬ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গত ৭ অক্টোবর বিকেলে ব্যবসায়ী হাকিম নিজের গাড়িতে করে শহরে ফিরছিলেন। মদুনাঘাট ব্রিজের পশ্চিম পাশে পৌঁছালে মোটরসাইকেলে আসা অজ্ঞাতনামা সন্ত্রাসীরা তাঁর গাড়ির সামনে এসে এলোপাতাড়ি গুলি চালায়। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়ার পর তিনি মারা যান। ঘটনার পরপরই চট্টগ্রাম জেলা গোয়েন্দা পুলিশ ও হাটহাজারী থানা যৌথভাবে তদন্ত শুরু করে। ৩১ অক্টোবর রাউজানের বাগোয়ান ইউনিয়নের গরীব উল্লাহপাড়া এলাকা থেকে আব্দুল্লাহ খোকন (ল্যাংড়া খোকন) নামের একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি ব্যবসায়ী আব্দুল হাকিম হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন। খোকনের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ২ নভেম্বর রাউজানের নোয়াপাড়া ইউনিয়নের চৌধুরীহাট এলাকা থেকে মারুফ নামের আরেকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে মারুফ জানায়, হত্যায় ব্যবহৃত অস্ত্র সাকলাইন হোসেনের হেফাজতে ছিল। ৪ নভেম্বর রাতে বিশেষ অভিযানে নোয়াপাড়া এলাকা থেকে সাকলাইন হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার কাছ থেকে একনলা বন্দুক, একটি এলজি ও হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়। রাউজান এলাকার বালু মহাল নিয়ন্ত্রণ ও আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
