|
সাগর পথে মালয়েশিয়া যাওয়ার প্রস্তুতিকালে ৩ রোহিঙ্গা উদ্ধার
রফিক মাহমুদ, উখিয়া
|
![]() সাগর পথে মালয়েশিয়া যাওয়ার প্রস্তুতিকালে ৩ রোহিঙ্গা উদ্ধার শনিবার (০৯ নভেম্বর) রাতে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে টেকনাফ বাহারছড়া ইউনিয়নের কচ্ছপিয়া বড় ডেইল এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। র্যাব জানায়—সম্প্রতি সাগরপথে মানব পাচারকারী চক্র ফের সক্রিয় হয়ে উঠেছে। সুযোগ বুঝে রোহিঙ্গাদের বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে বিদেশে পাঠানোর নামে অর্থ হাতিয়ে নেওয়া হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় ওই রাতে সিপিসি-১ টেকনাফ ক্যাম্পের একটি অভিযানিক দল উক্ত এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। এসময় মালয়েশিয়া যাওয়ার উদ্দেশ্যে জড়ো হওয়া ৩ রোহিঙ্গাকে উদ্ধার করা হয়। পরে তাদের র্যাব হেফাজতে এনে টেকনাফ ক্যাম্পে রাখা হয়। প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই শেষে জিডি মূলে তাদের টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর এবং পরবর্তীতে পরিবারের নিকট ও নিজ নিজ ক্যাম্পে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে র্যাব। কক্সবাজার র্যাব-১৫ অধিনায়ক লে. কর্ণেল কামরুল হাসান বলেন—“মানব পাচারকারীরা এখনো সুযোগ খুঁজে সাগরপথে রোহিঙ্গাদের বিদেশ পাঠানোর অপচেষ্টায় লিপ্ত। প্রতিনিয়ত আমরা নজরদারি করছি, অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। অবৈধভাবে সাগর পথে বিদেশ গমনে উস্কানি, প্রলোভন ও প্রতারণা করে মানব পাচার করে যাচ্ছে। এ ধরনের ঝুঁকিপূর্ণ পথ রোধে র্যাব-১৫ জিরো টলারেন্স নীতি নিয়ে মাঠে রয়েছে।” তিনি আরও বলেন—“আমরা চাই একটিও জীবন যেন এই ভয়ংকর পথে আর হারিয়ে না যায়। সমাজের সবাইকে সচেতন হতে হবে। তথ্য দিন, আমরা ব্যবস্থা নেব।” এর আগে গত ৪ নভেম্বর টেকনাফ বাহারছড়া জুম্মাপাড়া সংলগ্ন গহিন পাহাড়ি এলাকা থেকে মানব পাচারের উদ্দেশ্যে আটক রাখা নারী ও শিশুসহ ২৫ জনকে উদ্ধার করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড ও নৌবাহিনী। এ সময় ২ জন মানব পাচারকারীকে আটক করা হয়। টেকনাফ থানার তথ্য মতে গত দুই মাসের ব্যবধানে টেকনাফ সীমান্তের বিভিন্ন পাহাড় ও উপকূলীয় এলাকা থেকে র্যাব, পুলিশ, কোস্ট গার্ড, নৌবাহিনী ও বিজিবি মোট ৪৮১ জন ভিকটিমকে উদ্ধার করেছে। আটক করা হয়েছে পাচারচক্রের ৫৩ সদস্যকে। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
