ই-পেপার সোমবার ● ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
বৃহস্পতিবার ● ২৯ অক্টোবর ২০২৬ ● ১৩ কার্তিক ১৪৩৩
বাংলাদেশে বহুল ব্যবহৃত টি ব্যাগে বিপজ্জনক মাত্রার বিষাক্ত ভারী ধাতুর উপস্থিতি
নতুন সময় প্রতিবেদক
প্রকাশ: Thursday, 18 September, 2025, 6:37 PM

বাংলাদেশে বহুল ব্যবহৃত টি ব্যাগে বিপজ্জনক মাত্রার বিষাক্ত ভারী ধাতুর উপস্থিতি

বাংলাদেশে বহুল ব্যবহৃত টি ব্যাগে বিপজ্জনক মাত্রার বিষাক্ত ভারী ধাতুর উপস্থিতি

বাংলাদেশে বহুল ব্যবহৃত জনপ্রিয় চায়ের ব্র্যান্ডগুলোর টি ব্যাগগুলোতে বিপজ্জনক মাত্রায় বিষাক্ত ভারী ধাতু পাওয়া গেছে বলে এক গবেষণায় উঠে এসেছে। পরিবেশ ও সামাজিক উন্নয়ন সংস্থার (ইএসডিও) নতুন অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়, যা জনস্বাস্থ্য ও ভোক্তা সুরক্ষার জন্য গুরুতর উদ্বেগ তৈরি করেছে।

"বিষাক্ত পদার্থে তৈরি: চা ব্যাগ এবং শুকনো আলগা চায়ে ভারী ধাতুর ঝুঁকি উন্মোচন" শীর্ষক গবেষণাটি বুধবার ঢাকায় ইএসডিও-এর সদর দপ্তরে প্রকাশ করা হয়।

স্থানীয় বাজার থেকে সংগৃহীত ১৩টি নমুনা (১২টি টিব্যাগ ও একটি আলগা পাতা) পরীক্ষাগারে বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, এগুলোতে দূষণের মাত্রা আন্তর্জাতিকভাবে নির্ধারিত নিরাপদের মাত্রা বহুগুণ ছাড়িয়ে গেছে।

পরীক্ষায় পাওয়া গেছে, ক্রোমিয়ামের মাত্রা ১,৬৯০ পিপিএম (নিরাপদ সীমা ৫ পিপিএম), সিসা ৫১ পিপিএম (সীমা ৫ পিপিএম), পারদ ১০৮ পিপিএম (সীমা ০.৩ পিপিএম) এবং আর্সেনিক ১৪ পিপিএম (সীমা ২ পিপিএম)। এছাড়া, টিব্যাগের প্যাকেজিংয়ে অ্যান্টিমনির মাত্রা ১৫৪ পিপিএম পর্যন্ত পাওয়া গেছে। গবেষণায় ইউরেনিয়াম ও থোরিয়ামের উপস্থিতিও ধরা পড়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এ ধরনের উচ্চমাত্রার দূষণ নিয়মিত চা পানকারীদের জন্য দীর্ঘমেয়াদি স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করতে পারে। গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশে দৈনিক ২-৩ কাপ চা পান করেন ৫৫ শতাংশ মানুষ, আর ২৭ শতাংশ চার বা তার বেশি কাপ পান করেন। তবে মাত্র ১ শতাংশ ভোক্তা টিব্যাগে ভারী ধাতুর উপস্থিতি সম্পর্কে জানেন।

গবেষণায় ইতিবাচক দিক হিসেবে চা পাতায় আয়রন, ম্যাঙ্গানিজ, তামা, জিঙ্ক ও কোবাল্টের মতো প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদানও পাওয়া গেছে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ প্রসঙ্গে ইএসডিও-এর চেয়ারম্যান মারগুব মোর্শেদ বলেন, "এটি ভোক্তা অধিকারের স্পষ্ট লঙ্ঘন এবং জনস্বাস্থ্যের জন্য বড় হুমকি। আমরা কর্তৃপক্ষ, উৎপাদক ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের অবিলম্বে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে আহ্বান জানাচ্ছি।"

গবেষণা প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, এই সংকট মোকাবিলায় নিয়ন্ত্রক সংস্থার তদারকি ও ভোক্তাদের সচেতনতা বাড়ানো এখন জরুরি।

« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status